ছড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণ, লকডাউন মানতে নারাজ স্থানীয়েরা, ভয়াবহ ছবি ডানকুনিতে

First Published 17, Jul 2020, 9:52 PM

করোনা সংক্রমণ ছড়াচ্ছে হু হু করে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফের লকডাউন জারি করেছে প্রশাসন। কিন্তু মানছে কে! শুক্রবার দুপুরেও এলাকায় খোলা ছিল দোকানপাট। রাস্তায় মানুষের আনাগোনাও ছিল অন্যদিনের মতোই। কেউ কেউ তো মাস্ক ছাড়াই বেরিয়েছিলেন বাড়ির বাইরে। এমনই ছবি ধরা পড়ল হুগলির ডানকুনিতে।
 

<p>আনলকে বিপদ বেড়েছে আরও। রাজ্যের সর্বত্রই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। ব্যতিক্রম নয় হুগলির ডানকুনিও। <br />
 </p>

আনলকে বিপদ বেড়েছে আরও। রাজ্যের সর্বত্রই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। ব্যতিক্রম নয় হুগলির ডানকুনিও। 
 

<p>ডানকুনি পুর এলাকায় করোনার সংক্রমণের শিকার ২৮ জন। বাদ যাননি পুলিশকর্মীরাও। স্থানীয় থানায় কর্মরত মহিলা সাব ইন্সপেক্টর-সহ তিনজনের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। <br />
 </p>

ডানকুনি পুর এলাকায় করোনার সংক্রমণের শিকার ২৮ জন। বাদ যাননি পুলিশকর্মীরাও। স্থানীয় থানায় কর্মরত মহিলা সাব ইন্সপেক্টর-সহ তিনজনের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। 
 

<p>সংক্রমণ রুখতে লকডাউন জারি করা আর উপায়টাই কি! প্রশাসনের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, শুক্রবার দুপুর থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ডানকুনি পুর এলাকায় জারি থাকবে পুরোদস্তুর লকডাউন।<br />
 </p>

সংক্রমণ রুখতে লকডাউন জারি করা আর উপায়টাই কি! প্রশাসনের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, শুক্রবার দুপুর থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ডানকুনি পুর এলাকায় জারি থাকবে পুরোদস্তুর লকডাউন।
 

<p>বৃহস্পতিবার রীতিমতো মাইকিং করে এলাকায় প্রচার চালিয়েছে খোদ ডানকুনি পুরসভা প্রশাসক হাসিনা শবনম। আপাতত সিদ্ধান্ত হয়েছে, বাজার বসার  তো প্রশ্নই নেই, ওষুধের দোকান ছাড়া আর কোনও দোকান খোলা যাবে না। তবে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছে মুদি দোকানগুলি। দুপুর একটা পর্যন্ত দোকান খোলার অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন।<br />
 </p>

বৃহস্পতিবার রীতিমতো মাইকিং করে এলাকায় প্রচার চালিয়েছে খোদ ডানকুনি পুরসভা প্রশাসক হাসিনা শবনম। আপাতত সিদ্ধান্ত হয়েছে, বাজার বসার  তো প্রশ্নই নেই, ওষুধের দোকান ছাড়া আর কোনও দোকান খোলা যাবে না। তবে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছে মুদি দোকানগুলি। দুপুর একটা পর্যন্ত দোকান খোলার অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন।
 

<p>বাস্তবে যে ছবি দেখা গেল, তা কিন্তু অন্যকথা বলছে। তখন দুপুর পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু দেখে কে বলবে, এলাকায় লকডাউন চলছে! রাস্তায় লোকজনের ভিড় তো ছিলই, খোলা ছিল দোকানপাটও।<br />
 </p>

বাস্তবে যে ছবি দেখা গেল, তা কিন্তু অন্যকথা বলছে। তখন দুপুর পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু দেখে কে বলবে, এলাকায় লকডাউন চলছে! রাস্তায় লোকজনের ভিড় তো ছিলই, খোলা ছিল দোকানপাটও।
 

loader