বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যে করোনার ভাইরাস সংক্রমণের ক্ষেত্রে যাদের মধ্যে সংক্রমণের লক্ষন আছে তাদেরও যেমন টেস্ট এর প্রয়োজন, যাদের কোনও লক্ষণ নেই তাদেরও টেস্ট করা সমানভাবে প্রয়োজন। এই নীতি আপাতত আমেরিকার নিজস্ব স্বাস্থ্য নীতির সাম্প্রতিক পরিবর্তনের বিপরীতে রয়েছে। এর আগে মার্কিন স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের নীতি পরিবর্তন করে জানিয়েছিল যে, সংক্রামিত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসা লোকেরা যাদের সংক্রমণের লক্ষণ নেই তাদের টেস্ট করার প্রয়োজন নেই।

মারিয়া ভ্যান কারখোভ,যিনি কোভিড -১৯ এর হু-এর প্রযুক্তি প্রধান, এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, "টেস্ট আরও বাড়ানো উচিত এবং যাদের সংক্রমণের লক্ষণগুলি খুব হালকা বা উপস্থিত নেই তাদেরও টেস্ট করা প্রয়োজন"। রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের জন্য মার্কিন কেন্দ্রগুলির নীতি পরিবর্তনের আগে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছিল যে, যদি কেউ আক্রান্ত ব্যক্তিদের ১.৮ মিটারের মধ্যে ১৫ মিনিটের বেশি সময় অবধি থাকেন, তবে তারও টেস্ট করা হবে। 

নতুন নির্দেশিকা অনুসারে, যারা আক্রান্ত ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসেন তাদের মধ্যে যদি সংক্রমণের লক্ষণ না থাকে, তবে তাদের টেস্ট করার দরকার নেই। কেরখোভ বলেছিলেন, "টেস্টকে একটি সুযোগ হিসাবে নেওয়া খুব জরুরি, যাতে সংক্রামিত লোকদের আলাদা করা যায়, তাদের যোগাযোগগুলি সন্ধান করা যায়।" সংক্রমণ ছড়িয়ে দেওয়ার যোগসূত্রটি ভেঙে ফেলার এটি প্রাথমিক প্রয়োজন ” কেরখোভের মতে, মাস্ক পরেও কমপক্ষে এক মিটার দূরত্ব বজায় রাখা প্রয়োজন।