হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিবিসিআই-র প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, হৃৎপিণ্ডে ব্লকেজ পাওয়া গিয়েছে মহারাজের। আর এর জেরে করতে হবে অ্যাঞ্জিওগ্রাম। প্রয়োজনে করতে হতে পারে অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টও। স্ট্রেন্ট বসাতে হবে বলে জানান হাসাপাতালের চিকিৎসকরা। চিকিৎসার ভাষায় এই রোগটিকে বলা হয় কার্ডিয়াক সিনকোপ বা কার্ডিওভাসকুলার সিনকোপ। কি এই কার্ডিওভাসকুলার সিনকোপ, কেন হয় এই রোগ!

সিনকোপের কারণ-

 মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ কমে গেলে কার্ডিওভাসকুলার সিনকোপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই রোগে আক্রান্ত হলে কয়েক মুহূর্তের জন্য জ্ঞান হারানোর সম্ভাবনা থাকে। এই ধরণের সিনকোপে মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন একেবারে কমে যায় এর ফলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া, মৃগী এবং স্ট্রোক এর মত মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে। মনে করা হয় কোনও ব্যক্তি যদি ডিহাইড্রেটেড থাকেন বা বা দীর্ঘ সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকেন তবে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

সিনকোপের প্রভাব-

মনে করা হয় সাধারণ জনসংখ্যার ২০ শতাংশেরও বেশি এই কার্ডিওভাসকুলার সিনকোপে আক্রান্ত হয়। তবে কার্ডিওভাসকুলার সিনকোপে দীর্ঘস্থায়ী কোনও শারীরিক প্রভাব দেখা দেয় না। সিনকোপের অন্যান্য কারণগুলির মধ্যে রয়েছে হার্টের ভালভ ডিজিজ, কার্ডিওমিওপ্যাথি এবং পেরিকার্ডাইটিস, উচ্চ রক্তচাপের ঔষধ এবং কার্ডিয়াক অ্যারিথমিয়া ইত্যাদি।

সিনকোপ তরুণ এবং মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। অন্যান্য কারণগুলি বয়স্ক ব্যক্তিদের এবং বিশেষত হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশি ঘন ঘন হয়। এই রোগে আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিত্সকের সঙ্গে পরামর্শ করুন। সেই মত প্রাথমিক পরীক্ষার পর দ্রুত চিকিৎসা শুরু করার প্রয়োজন। সিনকোপের ক্ষেত্রে, চিকিত্সক আপনাকে ডিহাইড্রেটেড হওয়া এড়াতে পরামর্শ দেবেন। খুব বিরল ক্ষেক্রে মারাত্মক সিনকোপে, ওষুধ এমনকি কোনও পেসমেকারের পরামর্শ দেওয়া হয়।