৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। ১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘ অর্থনীতি ও সমাজ পরিষদ আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের সম্মেলন ডাকার সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৪৬ সালের জুন ও জুলাই মাসে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাংগঠনিক আইন গৃহীত হয়, ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল এই সংগঠন আইন আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। এইদিন " বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস " বলে নির্ধারিত হয়। সমগ্র বিশ্বে মহামারি আকার ধারণ করছে করোনা ভাইরাস। এর থাবায় প্রতিদিনই মৃত্যুর মিছিলের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মনে বাড়ছে আতঙ্ক, ঝুঁকি ও নিরাপত্তাহীনতা। এই মারণ ভাইরাসের থাবায় মানুষের শারীরিক অবনতিই নয় পড়ে গিয়েছে বিশ্বের অর্থনীতিও। করোনা নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতনতার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু।

আরও পড়ুন- স্টে হোমে কীভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলবেন, পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

এখনও অবধি এই সংক্রমণের কোনও কার্যকারী কোনও প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। হোম কোয়ারেন্টাইন বা আক্রান্তরাই এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়াকে আটকাতে পারে। এই কারণেই বারবার যে কোনও ব্যক্তির থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফ থেকে। হাঁচি ও কাশির থেকেও এই ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। নাক, মুখ দিয়ে প্রবেশ করে এই ভাইরাস সহজেই শরীরে প্রবেশ করে ফুসফুস-কে সংক্রমিত করে। প্রতি ঘন্টায় সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। টানা ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে ভালো করে আঙ্গুলে ফাঁক পরিষ্কার করুন। হাতের সবথেকে বেশি ময়লা থাকে হাতের চেটোর উপরিতলে। যেহেতু তা বাইরের দিকে থাকে। তাই হাতের উপরিতলও পরিষ্কার রাখা সমানভাবে দরকার।

আরও পড়ুন- স্টে হোমে ওজন কমাতে পাতে রাখুন এই আলু, কমবে মানসিক অবসাদও

এই সময় অতি প্রয়োজন ছাড়া কোনওভাবেই বাড়ির বাইরে যাবেন না। প্রতিদিন নিয়ম করে টেবিল, বই, দরজার হাতল, বাথরুম, কি বোর্ড অর্থাৎ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস সাবান জল দিয়ে পরিষ্কার করুন। অ্যালকোহল বেসজ স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। বার বার চোখে মুখে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। ভীড় বা জনবহুল জায়গা এড়িয়ে চলুন। যদি আপনার এলাকায় এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি থাকেন তবে একদমই ঘরের বাইরে বেড়োবেন না। প্রয়োজনে প্রশাসনের সাহায্য নিন। বাইরে বেরোলে ফেস মাস্ক ব্যবহার করুন। হাঁচি ও কাশির সময় রুমাল অথবা টিস্যু দিয়ে মুখ ঢেকে নিন। ব্যবহার করা টিস্যু ঢাকা দেওয়া ডাস্টবিনে ফেলুন।  নিজে সুস্থ থাকুন অপরকেও সাহায্য করুন।