বিশ্বনাথ দাস,হাওড়া: বিজেপি নেতাকে খুন হওয়ার পর অশান্তি কিছু কম নয় বাগনানে। দফায় দফায় মুম্বই রোড অবরোধ করেন গেরুয়াশিবিরের কর্মী-সমর্থকরা। ঘেরাও করা হয় থানায়ও। বারো ঘণ্টার বনধে কিন্তু তেমন সাড়া মিলল না। মিশ্র প্রভাব পড়ল এলাকায়। বনধ সফল করতে গিয়ে আটক হলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

আরও পড়ুন: দশমীতে নাবালিকাকে 'সিঁদুর দান' প্রাক্তন প্রেমিকের, লোকলজ্জায় ভয়ে আত্মঘাতী স্কুলছাত্রী

ঘটনার সূত্রপাত মহাষ্টমীর রাতে। বাড়ি ফিরছিলেন স্থানীয় ফুল ব্যবসায়ী কিঙ্কর মাজি। তিনি আবার এলাকায় বিজেপি নেতা হিসেবেও পরিচিত। গেরুয়াশিবিরের অভিযোগ, বাড়ির পথে এক প্রতিবেশীর সঙ্গে সামান্য বাকবিতণ্ডা হয় কিঙ্করের। এরপর আচমকাই ওই বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দেয় ওই প্রতিবেশী। বেশ কয়েকটি হাসপাতালে ঘোরার পর শেষপর্যন্ত তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতার এনআরএস হাসপাতালে। কিন্তু অস্ত্রোপচার করেও কিঙ্করকে বাঁচানো যায়নি। বুধবার বিকেলে যখন কিঙ্কর মাঝির মৃত্যু সংবাদ এলাকায় পৌঁছয়, তখন পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর, এমনকী আগুনও লাগিয়ে দেন ক্ষুদ্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। দফায় দফায় অবরোধ চলে মুম্বই রোডে, ঘেরাও করা হয় বাগনান থানাও।

আরও পড়ুন:জমি লিখে না দেওয়ায় বৃদ্ধা মা -কে মারধর ছেলে-বৌমার, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বৃদ্ধা

দলের নেতাকে খুনের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বাগনানে বারো ঘণ্টার বনধের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। বনধে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেল এলাকায়। অন্যন্য দিনের তুলনায় যানবাহন কম থাকলেও, দোকানপাঠ খোলাই ছিল। বেলার দিকে বনধ সফল করতে বাগনানে যান বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। তাঁকে বেশ কিছুক্ষণ বাগনান থানায় আটকে রাখে পুলিশ। ছাড়ার পাওয়ার পর মৃতের পরিবারের লোকেদের সঙ্গে দেখা করেন সৌমিত্র। বনধ সমর্থকদের ঠেকাতে বেশ কয়েকটি জায়গায় লাঠিচার্জও করেছে পুলিশ।