হাওড়ার বাগনানে তৃণমূল নেতা খুনে নয়া মোড়। গুলিবিদ্ধ হয়ে নয়, মাথায় আঘাত লেগে মৃত্যু। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে তেমনই ইঙ্গিত মিলল। এদিকে ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও মৃতের পরিবারের থানায় লিখিত কোনও অভিযোগ দায়ের করেনি বলে জানা দিয়েছে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার সকালে। বাগনানের কুড়িয়ার বড়পোল এলাকায় প্রাতঃভ্রমণের সময়ে রাস্তায় শেখ আসাদুল রহমান নামে স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তিনি একসময়ে আমতা বিধানসভাকেন্দ্রের বাগনানের বাইনান এলাকায় দলের অঞ্চল সভাপতি ছিলেন। ঘটনা জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। পরিবারের লোকেদের দাবি, সোমবার রাতে আসাদুলের কাছে একটি ফোন আসে। ফোন পাওয়ার পরেই সাইকেল নিয়ে তড়িঘড়ি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান তিনি। রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। সেক্ষেত্রে ওই তৃণমূল নেতাকে যে খুন করা হয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহের বিশেষ অবকাশ ছিল না।
 
প্রাথমিক তদন্তের পুলিশের অনুমান ছিল, বাড়ি থেকে বেরনোর পরই আসাদুলকে ঘিরে ধরে দুষ্কৃতীরা এবং পয়েন্ট ব্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হয় তাঁকে। কিন্তু বাস্তবে যে তেমনটা ঘটেনি, তার প্রমাণ মিলল ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে। জানা গেল, গুলিবিদ্ধ হয়ে নয়, মাথায় আঘাত লেগে মৃত্যু হয়েছে তৃণমূল নেতা শেখ আসাদুল রহমানের। কিন্তু তাঁর মাথায় আঘাত লাগল কী করে? খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এদিকে মঙ্গলবার রাতে ঘটনাস্থল ও মৃতদেহ থেকে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা নমুনা সংগ্রহ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।