Asianet News Bangla

সময় মানেই ঘোড়া কেনাবেচার 'সুবর্ণ সুযোগ' মধ্যপ্রদেশ ইস্যুতে মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

আরও সময় মানেই ঘোড়া কেনাবেচার সুবর্ণ সুযোগ

  • বিধানসভার অধিবেশন না চললে রাজ্যপাল আস্থা ভোটের কথা বলতে পারেন
  • মধ্যপ্রদেশ মামলায় মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের
  • শক্তি পরীক্ষা কেন দেবেন প্রশ্ন কমল নাথের
15 days are gold mines for horse treading says sc on mp crisis
Author
Kolkata, First Published Mar 19, 2020, 2:42 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় আস্থা ভোট নেওয়ার জন্য আরও সময় চেয়েছিলেন স্পিকার। তারই উত্তরে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, আরও সময় দেওয়া মানেই বিধায়ক কেনাবেচার সুবর্ণ সুযোগ করে দেওয়া। তা কখনই আদালত দিতে পারেনা। তাই আস্থা ভোটের বিষয়ে আদেশ দিতে তৎপর হয়ে উঠেছে সুপ্রিম কোর্ট। কংগ্রেসের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি প্রস্তাব দিয়েছিলেন, দলের বিক্ষুব্ধ বিধায়করা বেঙ্গালুরুতে রয়েছে। তাঁদের মধ্যপ্রদেশে নিজের বাড়িতে ফিরে আসুক। সেখান থেকেই তাঁদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলা যেতে পারে।  কিন্তু বেশি সময় দিতে যে শীর্ষ আদালত নারাজ তাও স্পষ্ট করে দিয়েছে এদিন। মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় অবিলম্বে আস্থাভোটের আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি। সেই মামলার শুনানি আজ এমনই কড়া মন্তব্য শীর্ষ আদালতের। পাশাপাশি শীর্ষ আদালত আরও জানিয়েছে, বিধানসভার অধিবেশন বন্ধ থাকাকালীন সরকারে থাকা দল যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে ফেলে তাহলে রাজ্যপাল স্পিকারকে আস্থাভোট গ্রহণের বিষয়ে নির্দেশ দিতে পারেন। মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডন স্পিকার এনপি প্রজাপতির কাছে অবিলম্বে আস্থাভোট নেওয়ার কথা বলেছিলেন। রাজ্যপালের এই ভূমিকার বিরুদ্ধেই সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছিল কংগ্রেস। 

আরও পড়ুনঃ করোনা আতঙ্কে নিম্নগামী শেয়ার বাজার, বড়সড় ক্ষতির আশঙ্কায় ভারতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

অন্যদিকে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ জানিয়েছেন কেন তিনি আবার সংখ্যা গরিষ্ঠতার প্রমাণ দেবেন। মাত্র ১৫ মাস আগেই তিনবার সংখ্যা গরিষ্ঠতার প্রমাণ দিয়ে সরকার গঠন করেছেন তিনি। কেউ যদি রাস্তায় দাঁড়িয়ে বলে তাঁর সরকার সংখ্যা গরিষ্ঠতা হারিয়েছে, তাহলে তাঁদের প্রমাণ করতে হবে যে তারা সংখ্যা গরিষ্ঠ দল নয়। 

আরও পড়ুনঃ ভারতের বুকে করোনার থাবা, স্থগিত আইসিএসসি-আইএসসি পরীক্ষা

আরও পড়ুনঃ ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৫১, বারাণসী ও হরিদ্বারে বন্ধ হল বিখ্যাত গঙ্গা আরতি

জ্যোতিরাজিত্য সিন্ধিয়া দল বদলের পরই তাঁর অনুগামী কংগ্রেসের ২২ জন বিধায়ক পদত্যাগ করেন। ৬ জনের পদত্যাগ পত্র গৃহীত হলেও বাকিদের পদত্যাগ পত্র এখনও গ্রহণ করেননি স্পিকার এনপি প্রজাপতি। ৬ বিধায়কের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করায় মধ্যপ্রদেশের সরকার গঠনের ম্যাজিক ফিগার ১১২। যা থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে কংগ্রেস। এই অবস্থায় সোমবার বিধানসভায় কমল নাথ সরকারের শক্তি পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও করনোর সংক্রমণের কারণ দেখিয়ে ২৬ মার্চ পর্যন্ত বিধানসভার অধিবেশন স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। তাই সরকার গঠনে মরিয়া বিজেপি দ্বারস্থ হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের। 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios