16Th Finance Commission report: ষোড়শ অর্থ কমিশন কেন্দ্র ও রাজ্যগুলিকে তেমনই পরামর্শ দিয়েছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ ষোড়শ অর্থ কমিশনের রিপোর্ট গ্রহণ করেছেন।
খাবার থেকে রান্নার গ্যাস- সব ধরনের ভর্তুকি কমাতে হবে। একবার কোনও ভর্তুকি চালু হলে তা অন্তহীনকাল ধরে চলতে থাকবে- এমনটা হতে পারে না। এই প্রবণতা কমাতে হবে। ষোড়শ অর্থ কমিশন কেন্দ্র ও রাজ্যগুলিকে তেমনই পরামর্শ দিয়েছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ ষোড়শ অর্থ কমিশনের রিপোর্ট গ্রহণ করেছেন। তাতেই মনে করা হচ্ছে এবার কেন্দ্রীয় সরকার ভর্তুকি কমানোর পথে হাঁটতে পারে। তবে একসঙ্গে সব ভর্তুকি বন্ধ করা হবে না। ধীরে ধীরে ভর্তুকি কমিয়ে আনার পথেই কেন্দ্রীয় সরকার হাঁটতে পারে। তেমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
কেন্দ্রীয় সরকার যে তিনটি খাতে সবথেকে বেশি ভর্তুকি দিয়ে থাকে সেগুলি হল- পেট্রোপণ্য, সার ও গণবন্টন- যেমন চাল,গমের মত খাদ্যপণ্যে।
কেন্দ্রীয় সরকার যে তিনটি খাতে সবথেকে বেশি ভর্তুকি দিয়ে থাকে সেগুলি হল- পেট্রোপণ্য, সার ও গণবন্টন- যেমন চাল,গমের মত খাদ্যপণ্যে।
কেন্দ্রের পদক্ষেপ
ষোড়শ অর্থ কমিশনের রিপোর্ট পেশ হওয়ার আগেই মোদী সরকার আর্থিক ভর্তুকি ছাঁটার পথে পা বাড়িয়েছে। ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে গরিব কল্যাণ যোজনা, সার ভর্তুকির বরাদ্দ অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে। আগামী দিনে ভর্তুকি আরও কমবে বলেও দাবি করেছে কেন্দ্রের একাধিক কর্মকর্তা। তবে একধাক্কায় সব ভর্তুকি বন্ধ করা হবে না। কি করে ধীরে ধীরে ধাপে ধাপে সাধারণ মানুষকে বিপর্যস্ত না করে ভর্তুকি কমানো যায় বা বন্ধ করা যায় তা বিবেচনার জন্য ইতিমধ্যেই একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ভর্তুকির বিকল্প খুঁজতে আরও বেশি ডেটা, প্রযুক্তি আর ম্যাপিং-এর প্রয়োজন হচ্ছে।
২০২৬ সালের বাজেটে খাদ্য ভরতুকি দেওয়া হয়েছে ২ লক্ষ ২৭ হাজার কোটি টাকা। সেটাই আগের বছর ছিল ২ লক্ষ ২৮ হাজার কোটি। ২০২৫ সালে সার ভরতুকি ছিল ১ লক্ষ ৮৬ হাজার কোটি টাকা। অথচ, এ বছর তা একধাক্কায় কমিয়ে করা হয়েছে ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি। একইভাবে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর পর্যালোচনা করা হবে জ্বালানি ব্যয় কত হচ্ছে। তারপর সেই ভরতুকিও কমবে।


