Banglar Bari: বাংলার বাড়ি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ। বৃদ্ধ দরিদ্র দম্পতির আইডি ব্যবহার করে ঘর পেলেন পাকা বাড়ির মালিক। এই অভিযোগ মালদায়। ইতিমধ্যেই দায়ের করা হয়েছে অভিযোগ। 

মালদায় বাংলার বাড়িতে দুর্নীতি! প্রকৃত উপভোক্তার আইডি ব্যবহার করে বিত্তশালীকে ঘর, জেলাশাসকের কাছে সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের বৃদ্ধ দম্পতির

বাংলার বাড়ি প্রকল্পে দুর্নীতি

কাঁচা বাড়ির বাসিন্দার বরাদ্দ ঘর পাকা বাড়ির মালিকের, বাংলা বাড়ি প্রকল্পে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের বঞ্চিত উপভোক্তার। মালদার চাঁচলের খরবা গ্রাম পঞ্চায়েতের দুলালগঞ্জ গ্রামের ঘটনা। মাথার উপর পাকা ছাদ পেতে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কাতর আর্তি জানিয়েছেন বৃদ্ধ দম্পতির।

স্থানীয় সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী , মালদার চাঁচল ১ নং ব্লকের খরবা গ্রাম পঞ্চায়েতের দুলালগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা মজিফুর রহমান। অসহায় বৃদ্ধ,থাকেন স্ত্রীর সঙ্গে। বাংলার আবাস প্রকল্পের সরকারি তালিকায় নাম উঠেছিল। স্বপ্ন দেখেছিলেন এবার অন্তত মাথার উপর একটা পাকা ছাদ জুটবে। কিন্তু বাস্তবে মিলল না কিছুই। কাগজে-কলমে প্রকল্পে তাদের নাম থাকলেও আজও খোলা আকাশের নিচে দিন কাটছে এই অসহায় পরিবার। ভেঙে পড়েছে চাল, রোদ, ঝড় বৃষ্টিতে কোনভাবে দিন গুজরান। একাধিকবার দরখাস্ত করার পর তালিকায় নাম এসেছিল, সরকারি আধিকারিকরা সমীক্ষা করে গেছেন। চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকার পরেও, বদলে গেল আইডি। মজিবুর রহমানের আইডি ব্যবহার করে তার ঘর পেলেন অন্যজন। তিনি সমস্ত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আজও বাংলা আবাস যোজনার ঘর পাননি। অথচ তাঁর নাম ও ঘরের আইডি ব্যবহার করে আর্থিকভাবে সচ্ছল এক ব্যক্তি সরকারি সুবিধা ভোগ করেছেন। সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, আর কদিন বাঁচব। ১৫ বছর ধরে তৃণমূলকে ভোট দিলাম, কিন্তু ঘর পেলাম না। আমার ঘরের আইডি ব্যবহার করে অন্যজন ঘর পেলো।

বাংলার বাড়ি প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে অভিযোগ তুলে সরব হলেন তৃণমূলেরই গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। তাঁর দাবি, প্রকৃত উপভোক্তাকে বঞ্চিত করে বৃত্ত শালীকে ঘর দেওয়া হয়েছে। সবটাই টাকার খেলা। সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি আর তৃণমূল সমার্থক। অভিযোগ তুলে সরব বিজেপি।

বাংলার বাড়ি প্রকল্প

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি আবাসন প্রকল্প, যার লক্ষ্য শহরাঞ্চলে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষ (EWS) এবং নিম্ন আয়ের গোষ্ঠীর (LIG) জন্য পাকা বাড়ি নিশ্চিত করা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি তৈরির জন্য ১ লক্ষ ২০ হাজার থেকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেওয়া হয়। সম্প্রতি এই প্রকল্পের টাকা বিলির কাজ শুরু হয়েছে।