শুক্রবার দেশে প্রথম আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার পেরিয়ে গিয়েছিল। শুনিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান সেই রেকর্ডও ভেঙে দিল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা সংক্রমণের শিকার হয়েছেন ৭,৯৬৪ জন। আর মারণ ভাইরাস প্রাণ কেড়েছে ২৬৫ জনের।

 

 

একদিনে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৮ হাজার। এটাই ভারতে এখনও পর্যন্ত দিনে আক্রান্তের সংখ্যায় সর্বোচ্চ। ফলে বর্তমানে দেশে করোনা রোগীর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৭৬৩ তে। আর মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪,৯৭১। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী করোনা সংক্রমণ থেকে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৮২ হাজার ৩৭০ জন। ফলে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা দেশে বর্তমানে ৮৬,৪২২। দেশে সুস্থ হওয়ার হার বেড়ে হয়েছে ৪৭.৪০ শতাংশ।

ফের সংসদে করোনার থাবা, এবার সিল করে দেওয়া হল অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ের অফিস

করোনা নিয়ে গোটা বিশ্ব দুষছে চিনকে, পাল্টা দিতে ভারত থেকে শুয়োর আমদানি বন্ধ করল বেজিং

আমেরিকায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ লক্ষ ছাড়াল, এবার 'হু'-র সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নই করে ফেললেন ট্রাম্প

গত কয়েকদিন ধরেই দেশে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন ছিল ৬ হাজারের বেশি। গত ২ দিন হল সেই সংখ্যাটা ৭ হাজারে পৌঁছে গেল। এই অবস্থায় দেশে চতুর্থদফার লকডাউনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩১ মে রবিবার। পরবর্তী পরিস্থিতি ঠিক করতে শুক্রবারই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমতি শাহকে নিয়ে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

এদিকে দেশে করোনা আক্রান্ত রাজ্যের তালিকায় এখনও এক নম্বরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র। রাজ্যটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের শিকার ২,৬৮২। ফলে মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২,২২৮। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২,০৯৮। দেশে করোনায় মোট মৃতের ৪০ শতাংশ মহারাষ্ট্রের। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী মহারাষ্ট্রে এখনও পর্যন্ত ৪ লক্ষ ৩৩ হাজারের বেশি করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

করোনা সংক্রমণে দেশে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু। রাজ্যটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার পেরিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তামিলনাড়ুতে সংক্রমণের শিকার হয়েছেন ৮৭৪ জন। তামিলনাড়ুতে করোনা সংক্রমণে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা চেন্নাইয়ের। 

দেশে করোনা সংক্রমণে তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাজধানী দিল্লি। দেশের রাজধানীতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৭,৩৮৬। মারণ ভাইরাস প্রাণ কেড়েছে ৩৯৮ জনের। প্রধানমন্ত্রীর রাজ্য গুজরাত রয়েছে চতুর্থ স্থানে। রাজ্যটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫,৯৩৪। মৃতের সংখ্যা ৯৮০।