বুধবার জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামার টিকেন এলাকায় জঙ্গি ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে তিন সন্ত্রাসবাদী নিহত ও এক অসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযান এখনও চলছে। ঘটনাস্থল থেকে দুই জঙ্গির মরদেহ উদ্ধার করা গিয়েছে। তারা স্থানীয় আল-বদ্রে সংগঠনের সদস্য বলে জানিয়েছে জম্মু ও কাশঅমীর পুলিশ।

সেনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জঙ্গিদের উপস্থিতির নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে এদিন ভোর থেকেই জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, ভারতীয় সেনার ৫৫ আরআর বাহিনী এবং সিআরপিএফ-এর একটি দল যৌথভাবে টিকেন এলাকায় একটি তল্লাশি অভিযান শুরু করেছিল। পুরো এলাকাটি ঘিরে পেলে চিরুনি তল্লাশি শুরু করতেই ওই এলাকার একটি বাড়ি থেকে, লুকিয়ে থাকা জঙ্গিরা যৌথ বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও পাল্টা জবাব দেয়।

আরও পড়ুন - ২০২৯ পর্যন্ত তিনিই থাকছেন মসনদে, সূক্ষ্মভাবে 'মন কি বাত' বুঝিয়ে দিলেন মোদী

আরও পড়ুন - গোয়ালিয়রের রাস্তায় ভিক্ষা করছেন কানপুর আইআইটির ইঞ্জিনিয়ার, মুখে ছুটছে ইংরাজির বন্যা

আরও পড়ুন - বাবার সঙ্গে মেয়ের বিয়ে, ১৫ বছর হলে সঙ্গম - আশ্চর্য প্রথা চালু এই বাংলাদেশি উপজাতির মধ্যে

দুই পক্ষের গুলি বিনিময়ের মধ্যে পড়ে একজন অসামরিক নাগরিক আহত হন। সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ওই ওই ব্যক্তির ায়ে গুলি লেগেছে। তাঁকে তত্ক্ষণাত্ নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে এদিন সকালেই উত্তর কাশ্মীরের বারামুলা জেলার সিঙ্গপোড়া বাজার এলাকায় গ্রেনেড হামলা করেছে সন্দেহভাজন সন্ত্রাসবাদীরা। এই হামলায় কমপক্ষে ৩ জন অসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে। সেনার দাবি জাতীয় মহাসড়ক দিয়ে সেনার একটি কনভয় যাওয়ার সময়, সেই কনভয় লক্ষ্য করেই ওই গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়েছিল। কিন্তু নিশানা ভুল করায় সেটি জনবহুল রাস্তাতেই ফেটে যায়। তাতেই ওই ৩ অসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। গ্রেনেড নিক্ষেপকারী ওই জঙ্গিদের সন্ধানে সিঙ্গপোড়া বাজার এলাকাতেও নিরাপত্তা বাহিনী চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে।