আবার সেই দিল্লি। কয়েকদিন আগেই এক মহিলা প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন কতটা নিরাপত্তাহীন তাঁরা। মেট্রো স্টেশনে নিগ্রহের শিকার হয়েছিলেন তিনি। দিল্লি সরকার মেট্রোতে মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে যাতায়াতের ব্যবস্থা করলেও আদতে যে নির্ভয়ার দিল্লির ছবিটা এতটুকুও পাল্টায়নি তা এদিন ফের বোঝা গেল। ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর সাত বছরের দুধের শিশুকে পাওয়া গেল ডাস্টবিনে।

আরও পড়ুনঃ১৬ বছরের কিশোরীকে পাঁচ দিন গণধর্ষণ, ছয় অভিযুক্তের মধ্যে তিন নাবালক

ঘটনাস্থল উত্তর দিল্লির নারেলা অঞ্চল। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে এই শিশুটিকে ধর্ষণ করে খুন করে আবর্জনার স্তূপে ফেলে রাখা হয়েছিল।  ধরা পড়েছে এমন মূল অভিযুক্ত মহম্মদ ইমরান। ১৬ জুন শিশুটিকে উদ্ধার করে পুলিশ। 

পুলিশ প্রথমে সন্দেহ করেছিল এই কীর্তি ঘটিয়েছে ইমরানের ভাই।কেননা ১৫ ই জুন শেষ এই শিশুটিকে দেখতে পাওয়া গিয়েছিল ইমরানের ভাইয়ের সঙ্গেই। কিন্তু তদন্ত এগোতে পুলিশ জানতে পারে ঘটনার দিন ইমরানের ভাই কারখানায় কাজ করছিল। এর পরেই পুলিশ সন্দেহ করে ইমরানকে। প্রথমে সমস্ত অভিযোগ কে নস্যাৎ করে দিলেও ক্রমাগত বাড়তে থাকা পুলিশের চাপের মুখে শেষমেশ ভেঙে পড়ে ইমরান। স্বীকার করে ১৫ই জুন তার ভাই এই শিশুটিকে বাজার করতে নিয়ে গিয়েছিল। তার পরে ভাইয়ের অবর্তমানে সে এই কীর্তি ঘটায় ১৬ ই জুন।পুলিশ জানায় ঠান্ডা মাথায় বদলা নিতে খুন করেছে ইমরান। এই মেয়েটির বাবার ওপর রাগ ছিল তার। তাই শিশুটিকে ভুলিয়ে পার্কে নিয়ে গিয়ে এই ঘটনা ঘটায় সে।শিশুটিকে মিষ্টি খাওয়ানোর লোভ দেখানো হয়। অভিযুক্ত ইমরানের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।