পুলওয়ামায় ৪০ জন জওয়ান শহিদ হয়েছিলেন তাঁদের জন্য অভিনব স্মৃতি সৌধ তৈরি হচ্ছে শহিদদে ঘর থেকে মাটি সংগ্রহ করছেন কর্নাটকের এক শিল্পী পুলওয়ামার ঘটনার একবছর পুর্তিতে তৈরি হবে ওই স্মৃতি সৌধ

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় জঘন্য জঙ্গি হমলায় প্রাণ গিয়েছিল ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ানের। তারপর থেকে বেশ কয়েকটা মাস কেটে গেলেও
কারোর কারোর মনে এখনও পুলওয়ামার ঘা শুকায়নি। তেমনই একজন কর্নাটকের মান্ড্যর শিল্পী উমেশ। পুলওয়ামায় ওই ৪০ জন শহিদ জওয়ানের জন্য় এক অভিনব স্মৃতিসৌধ নির্মামের পরিকল্পনা করেছেন এই শিল্পী।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি সেনা কনভয়ে বিস্ফোরক ভরা গাড়ি নিয়ে ধাক্কা মেরেছিল জঙ্গিরা। যার অভিঘাতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ গিয়েছিল ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ানের। এর পাল্টা পাক মাটিতে ভারত এয়ারস্ট্রাইক চালায়। রাতের অন্ধকারে হানা দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হয় বালাকোটে লস্কর ই তৈবার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। তারপর অভিনন্দন বর্তমানের পাকিস্তানের হাতে বন্দী হওয়া ও ভারতে প্রত্যাবর্তন, পাকিস্তানের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া, তারপর ফের খুলে দেওয়া - অনেক কিছুই ঘটে গিয়েছে।

একের পর এক নির্বাচনী সভায় সেনা আবেগকে কাজে লাগিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী পদে ফিরেও এসেছেন। বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে শহিদদের পরিবারের সহায়তা করা হয়েছে। কিন্তু সরকারের তরফ থেকে তাঁদের জন্য পুলওয়ামায় কোনও স্মৃতিসৌধ বা স্মারক স্তম্ভ স্থাপনের কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি।

সেই কাজটাই হাতে নিয়েছেন শিল্পী উমেশ। তিনি ঠিক করেছেন ৪০ জন শহিদ জওয়ানের বাড়ির মাটি দিয়ে পুলওয়ামায় একটি ভারতের মানচিত্রের আলে সৌধ তৈরি করবেন। আর এই অভিনব উদ্যোগে সামিল হয়েছেন সাধারণ মানুষও। কোনও সরকারি বা বাণিজ্যিক সহায়তা নয়, একেবারে সাদারণ মানুষের থেকে চাঁদা সংগ্রহ করেই এই কাজ করা হচ্ছে।

আপাতত গাড়ি নিয়ে ৪০ জন শহিদের বাড়ি দিয়ে ঘটে করে তাঁর বাড়ির মাটি সংগ্রহ করছেন উমেশ। সেনাকর্মীদের মতোই চুলের ছাঁট আর জংলা ছাপ পোশাক পরে তিনি শহিদদের বাড়ি যাচ্ছেন। তাঁর গাড়ির বনেটে লেখা প্রথম দেশাত্ববোধক রোড ট্রিপ। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার এক বছর পূর্তিতে পুলওয়ামায় পৌঁছবেন তিনি। তারপরই ওই সৌধ স্থাপন করা হবে। স্মরণ করা হবে, শ্রদ্ধা জানানো হবে বীর সেনাদের বলিদানকে।