সংবাদ শিরোনামে ফের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। আর এর পিছনে রয়েছে তারই একটি ভিডিও যা ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। শুক্রবার গুজরাতে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্মৃতি। সেখানে তাকে দেখা গেল তরোয়াল হাতে নৃত্য প্রদর্শন করতে। আর সেই মুহূর্তই ক্যামেরাবন্দি হয়ে ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। 

জানা গিয়েছে, শুক্রবার ভাবানগরে শ্রী স্বামীনারায়ণ গুরুকুলের পরিচালনায় উওমেনস আপলিফটিং ফোরাম প্রোগ্র্যাম-এর আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে ছিল মেয়েদের ট্রাডিশনাল নাচ। উদ্যোক্তারা আমেঠির সাংসদকে এই নাচে অংশগ্রহণের অনুরোধ জানান। তলোয়ার রাস নামের এই লোকনৃত্য খুবই জনপ্রিয় গুজরাত এবং রাজস্থানে। এই লোকনৃত্যের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট পোশাকও। 

ওজন ১৫০ কেজি, রামমন্দিরের জন্য তৈরি ৩০০০ পাতার প্রকাণ্ড রামচরিতমানস

ভাবানগরে এদিনের এই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে দেখা গেল মঞ্চে অন্যান্য মেয়েদের সঙ্গে পা-এ পা মেলাতে। স্মৃতি ইরানি ছাড়া এগিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুজরাত বিজেপির রাজ্য সভাপতি জিতু ভাগানিও। 

 

স্কুলে পড়ুয়াদের জন্য মিড ডে মিল বানাচ্ছেন মায়েরা, নজির গড়ল ছত্তিশগড়

কিছুদিন আগে স্মৃতি ইরানির একটি পোস্টও সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সংবাদ মাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছিল। ইনস্টাগ্রামে একটি বহু পুরোনো দিনের ছবি, অনেকটাই অস্পষ্ট হয়ে যাওয়া ছবি পোস্ট করেছিলেন তিনি। সাদাকালো সেই ছবিতে স্পষ্ট দেখা যায় এক ভদ্রলোককে। পরণে সাধারণ গেঞ্জি ও ধুতি, কোলে একটি চিতাবাঘ শুয়ে। এঁর ছবিই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি জানিয়েছিলেন, এঁর কাছ থেকেই তিনি জীবনের পাঠ পেয়েছেন। এই ভদ্রলোক আর কেউ নন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাদু।

পাতিয়ালায় ৫৫০ ফুটের কেক, আপনিও চাক্ষুস করুন

দাদুর এই ছবিটি পোস্ট করে স্মৃতি ইরানি আরও জানান, নাতনি হিসেবে তিনি দাদুর কাছে কৃতজ্ঞ। ১৯৮৯ সালের ১৯ মে তিনি পরলোক গমন করেন। তিনিই জীবনের যাবতীয় শিক্ষা দিয়েছিলেন স্মৃতিকে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও জানান, কোনও উৎসব অনুষ্ঠানে যেমন দাদুর অভাববোধ করেন, তেমনই খারাপ সময়েও দাদুর স্মৃতি মনে ভিড় করে আসে। আর এসবের মধ্যেই তিনি উপলব্ধি করেন দাদু কখনই তাঁকে ছেড়ে যাননি।