২০১৪ সালে প্রথমবার কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসেন নরেন্দ্র মোদী।  সেই সময় তাঁর 'চায়ে পে চর্চা' প্রচারের ময়দানে ঝড় তুলেছিল।  চায়ের দোকানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে জনসংযোগে শামিল হয়েছিলেন বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী। মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে সেই ধারা অনুসরণ করেন বিজেপির অনেক নেতাই। এরাজ্যে বিজেপির সভাপতি দিলীপ  ঘোষকেও মাঝে মধ্যেই জবনসংযোগ বাড়াতে  'চায়ে পে চর্চা'য় বেড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। এবারে সেই প্রচার কৌশলকেই নিজেদের ভোট প্রচারে ব্যবহার করতে চাইছে আম আদমি পার্টি।

আরও পড়ুন: চোখে সানগ্লাস, হাতে বন্দুক, ঘোড়ায় চেপে বিয়ে করতে গেলেন দুই বোন

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে 'কাম কি চায়' প্রচারাভিযান শুরু করল আম আদমি পার্টি। দিল্লির প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠা করা হবে এই চায়ের দোকান। যেখানে বিভিন্নি বিষয়ের উপর আলোচনা হবে। চা খেতে খেতে চলবে জনসংযোগ বাড়ানোর কাজ। চাগুলির নামও দেওয়া বিষয়ের উপর ভিত্তি করে, যেমন 'শিক্ষা বালি চায়', 'স্বাস্থ্য বালি চায়'।

এমবিএ ড্রপ আউন প্রফুল বিল্লোর যিনি  'এমবিএ চা ওয়ালা ' নামে পরিচিত তিনিই আপের হয়ে এই প্রচার অভিযান চালাচ্ছেন। দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনের আগে  মুখ্যমন্ত্রী আরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে নিজে গিয়ে দেখা করেন প্রফুল। তিনি কেজরিকে প্রতিটি বিধানসভায় চায়ের দোকান খুলে জনসংযোগ বাড়ানোর পরামর্শ দেন। সরকার এখনও পর্যন্ক কী কী কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতে কী কী কাজ করা হবে সেই বিষয়ে এখানে প্রচার চালান হচ্ছে। 

আরও পড়ুন: রীতি বদল প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে, প্যারেডের আগে ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালে যাবেন মোদী

প্রফুল বিল্লোরের সঙ্গে চা তৈরির কাজে ইতিমধ্যে যোগ দিয়েছেন ৩০ থেকে ৪০ জন স্বেচ্ছাসেবী। দিল্লি সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের নামে রাখা হচ্ছে চায়ের নাম। যেমন 'শিক্ষা বালি চায়' তে তুলে ধরা হচ্ছে  ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় সহ শিক্ষানিয়ে দিল্লি সরকারের প্রকল্পগুলি। 

ক্ষমতায় এসেছে বিদ্যুতের দাম হ্রাস, মহিলাদের জন্য বিনে পয়সায় বাস সফর সহ একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে আম আদমি পার্টি। সরকারের প্রতিটি প্রকল্পই এখানে তুলে ধরা হচ্ছে চায়ের মাধ্যমে। প্রশাসক হিসাবে অরবিন্দ কেজরিওয়াল অসাধারণ। তাই তাঁর জন্যই আহমেদাবাদ থেকে সব ছেড়ে দিল্লি এসেছেন বলে জানান 'এমবিএ চা ওয়ালা ' প্রফুল বিল্লোর।