কে তৈরি করেছে আরোগ্য সেতু অ্যাপআরটিআই-র জবাবে কোন তথ্যই দেয়নি কেন্দ্রতথ্য কমিশনের নোটিশেই বাড়ল চাপপ্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সাফাই দিল কেন্দ্র

আরোগ্য সেতু অ্য়াপ নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের মুখে এদিন এই অ্যাপের বিষয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে সাফাই দিল কেন্দ্রীয় সরকার। জানানো হয়েছে অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে পিপিপি মডেল অর্থাৎ পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে। এনসিআই বা ন্যাশনাল ইনফরমেটিকস সেন্টার-এর তত্ত্বাবধানে শিল্পক্ষেত্র, শিক্ষাজগৎ ও সরকারের সর্বশ্রেষ্ঠ মেধাসম্পন্ন ব্যক্তিরা একত্রিত হয়ে এই অ্যাপটি গড়ে তুলেছেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন - লক্ষ লক্ষ ভারতীয়ের গোপনীয়তা কি আদৌ সুরক্ষিত, 'আরোগ্য সেতু' নিয়ে কিছুই জানাতে পারল না কেন্দ্র

কেন্দ্র আরও জানিয়েছে চলতি বছরের ২ এপ্রিল কোভিড মোকাবিলায় সব ভারতীয়কে একত্রিত করার লক্ষ্যেই এই অ্যাপ চালু করা হয়েছিসল। তারপর থেকে এই অ্যাপের বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ও সংবাদমাধ্যমে নিয়মিত অ্যাপটি সম্পর্কে তথ্য দিয়েছে সরকার। গত ১১ মে অ্যাপটির নলেজ শেয়ারিং প্রোটোকল অ্যাপে আপলোড ককরা হয়েছিল এবং ২৬ মে অ্যাপটির নেপথ্যের সোর্স কোডটিও জনসাধারণের জন্য প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই সময়ই অ্যাপটি তৈরির বিভিন্ন পর্যায়ে কারা কারা দায়িত্বে ছিলেন, তার বিশদ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছিল বলে দাবি করেছে কেন্দ্র।

এই অ্যাপটি সবচেয়ে স্বচ্ছভাবে সব তথ্য প্রকাশ করেছে বলে কেন্দ্র দাবি করলেও তারপরেও বিতর্ক থামছে না। সব বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য থাকলেও আরটিআই-এর জবাবে ন্যাশনাল ইনফরমেটিকস সেন্টার, ইলেকট্রনিক অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি মন্ত্রক এবং ন্যাশনাল ইগভর্ন্যান্স ডিভিশন থেকে কেন এই অ্যাপটির বিষয়ে কোনও তথ্যই দেওয়া গেল না, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও মিলছে না। তাদের কাছে এই তথ্য কি সত্যিই নেই, নাকি তথ্য অধিকার আইনকে তারা অগ্রাহ্য করল, সেই প্রশ্নও উঠছে। সেইসঙ্গে এই অ্যাপের বিষয়ে যে ফাইল তৈরি হয়েছে তা কোথায় সেই প্রশ্নেরও এখও কোনও জবাব নেই।

তবে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন-এর নির্দেশ অনুযায়ী ২৪ নভেম্বর বেঞ্চের সামনে হাজির হবেন ন্যাশনাল ইনফরমেটিকস সেন্টার, তথ্য প্রযুক্তি দপ্তর ও ই-গভর্ন্যান্স বিভাগের সিপিআইও-রা। কমিশন-এর সব প্রশ্নের জবাবও তাঁরা দেবেন।