বিশ্বের সঙ্গে দেশেও করোনার প্রকোপ বাড়ছে। আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যাও প্রতিদিন বাড়ছে। তবে দেশে যে এমন একটা দুর্যোগ পরিস্থিতি আসতে চলেছে তা একবছর আগেই ভবিষ্যতবাণী করেছিল এক কিশোর। গত বছর অগস্টে ইউটিউবে এতটি ভিডিও প্রকাশ করেছিল অভিজ্ঞ আনন্দ নামের ওই কিশোর। 'সেভেন ডেঞ্জার টু দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্রম নভেম্বর ২০১৯ টু এপ্রিল ২০২০' নামের সেই ভিডিওতে মারণ করোনাভাইরাসের ইজ্ঞিত দিয়েছিল এই খুদে জ্যোতিষী। অভিজ্ঞ জানিয়েছিল, গোটা বিশ্বে একটি মারণ রোগ মানুষকে চরম সংকটে ফেলবে, নভেম্বর ২০১৯ থেকে ২০২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সময়টা মানবজাতির জন্য চূড়ান্ত ভয়ঙ্করের। 


ব্যাকওয়াটারের মাঝেই আইসোলেশন ওয়ার্ড, আলাপ্পুজহার রাজকীয় বোটহাউস এবার কোয়ারেন্টাইন সেন্টার
কাতর আর্তিতে রাতেই খুলল আদালত, লকডাউনের মাঝেই মেক্সিকান বান্ধবীকে বিয়ে করলেন যুবক
করোনা মহামারীর মাঝে এবার হামের প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা, বন্ধের পথে ১১ কোটি শিশুর টীকাকরণ

ভিডিওটি সেই সময় ভাইরাল হয়েছিল।  অভিজ্ঞ আরও জানিয়েছিল, মারণ রোগের প্রকোপ ২০২০ সালের ৩১ মে-র মধ্যে কমে যাবে। কিশোর জ্যোতিষীর কথা কার্যত ফলে যাওয়ায় ফের নতুন করে শিরোনামে উঠে এসেছে অভিজ্ঞ আনন্দ।



করোনা নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে জোড় আলোচনা চলছে তখন সম্প্রতি আরও একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এনেছে অভিজ্ঞ আনন্দ। যেখানে খুদে জ্যোতিষী  জানাচ্ছে, সংক্রমণের মেয়াদ বাড়ছে।  তাই ৩১ মে নয়, ৩১ জুনের আগে বিশ্ববাসী কোনও ভাল খবর শুনতে পারবেন  না। যদিও মাঝখানে কয়েক দিনের জন্য মারণ রোগের প্রকোপ কিছুটা কমবে। কিন্তু সুখবর আসতে অপেক্ষা করতে হবে  জুন মাসের শেষ পর্যন্ত।




 এতেই অবশ্য থামেনি খুদে জ্যোতিষী, দিয়ে রেখেছে আরও একটি খারাপ খবর। আনন্দ জানিয়েছে,  ২০২০ সালের  ডিসেম্বরে পৃথিবীতে নেমে আসবে আরও একটি চরম বিপর্যয়, যা চলবে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত। 

এর মাঝেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে তুলসি পাতা খাওয়ারও পরামর্শ দিয়েছে অভিজ্ঞ। সেই জন্যে জলে কাঁচা হলুদ, জোয়ান আর আদা দিয়ে গরম করে তার ভাপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সে । এতে ভাইরাস নাক বা কান দিয়ে শরীরে প্রবেশ করতে পারবে না।