সারা দেশে একটানা ২১ দিনের লকডাউন কালই শেষ হয়েছে। আজ থেকে দ্বিতীয় দফায় লকডাউন শুরু। যা চলবে আগামী ৩ মে পর্যন্ত।  সারা বিশ্বে জুড়ে দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস।  আর এই মারণ ভাইরাস আটকাতে প্রধানমন্ত্রীর  নির্দেশ অনুযায়ী  নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।  বাস, ট্রেন, ট্রাম, বিমানের মতো পরিষেবার পাশাপাশি বন্ধ থাকবে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কিন্তু আর মাত্র ৫ দিন পর অর্থাৎ ২০ এপ্রিল থেকে বিশেষ কিছু পরিষেবার মিলবে ছাড়।



আরও পড়ুন-১ বছর আগেই করোনা নিয়ে ভবিষ্যতবাণী এবার বিদায়ের দিন জানাল ১৪ বছরের কিশোর, দেখুন ভিডিও...

আরও পড়ুন-করোনা রোগীর দেহ ভেবে অন্যের অন্ত্যেষ্টি,গোল বাধল আরজিকর-এ...

আরও পড়ুন-রাজ্য়ে ২০০ ছাড়িয়ে গেছে আক্রান্তের সংখ্য়া, হিসেব দিল কেন্দ্র...

অর্থাৎ আর ৫ দিন পর থেকেই  কৃষি, তথ্য প্রযুক্তি, ই-কর্মাস এবং আন্তঃরাজ্য পরিবহণ ব্যবস্থায় ছাড় দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। সকলের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই এই বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে সমস্ত কিছুর মধ্যেও নির্দেশিকায় যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে তা মেনে চলতে হবে। তাছাড়া মাস্ক পরা, জমায়েত না করা, জরুরি কারণ ছাড়া বাইরে না বেরোনো এগুলি অবশ্যই মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

একনজরে দেখে নিন কোন কোন জরুরি পরিষেবায় মিলছে এই বিশেষ ছাড়-


এলপিজি এবং পেট্রোলিয়াম পণ্য, খাদ্যপণ্য, ওষুধের মতো জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত পণ্যের ক্ষেত্রে মিলবে বিশেষ ছাড়।

রেল, বিমান বা জল পরিষেবার মাধ্যমে পণ্য পরিবহণেও পাওয়া যাবে বিশেষ ছাড়।

রেল স্টেশন, বিমান,  বন্দর সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের কাজে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে মিলবে ছাড়। তবে এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে তবেই কাজে যোগ দিতে পারবে।

এছাড়াও খোলা থাকবে কফি ,চা এবং রাবার প্ল্যান্টগুলি।

সরকারি কাজ হচ্ছে এমন কিছু কলসেন্টারও খোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

গাড়ি-বাইক, ইলেকট্রিক, কল বা রাজমিস্ত্রিদের কাজেও মিলবে বিশেষ ছাড়।

 দুগ্ধজাত দ্রব্য,  দুগ্ধ সরবরাহ,  পোলট্রি এবং পশুপালনেও ছাড় দেওয়া হবে। 

যারা মাছের চাষ ও মাছ  বিক্রির সঙ্গে জড়িত  সেই সমস্ত কর্মীদের যাতায়াতেও মিলবে ছাড়।

আন্তঃরাজ্য পণ্য পরিবহণকারী ট্রাকের যাতায়াতের ক্ষেত্রেও ছাড় মিলবে।

 ট্রাকে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে তা মেরামতে দোকানও রাস্তার ধারে  খোলা থাকবে। এর পাশাপাশি রাস্তার ধারের  কিছু ধাবাও খোলা থাকবে।