বিহার নির্বাচনের খারাপ ফলাফল থেকে শিক্ষা নিতে হবে কংগ্রেসকে। আর সেই কারণেই আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রসকে আসন সমঝচতার বিষয়ে আরও বেশি বাস্তববাদী হতে হবে। বিহার নির্বাচনে আশানুরুপ ফলের পর একথাই জানালেন বিহারের সিপিআই এমএল-এর নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য। কংগ্রেসের খারাপ ফলের কারণেই সরকার গঠনের দৌড় থেকে মহাজোট অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। 

দীপঙ্কর ভট্টাচার্য আশা প্রকাশ করেছেন শতাব্দী প্রাচিন দলটি বিহার নির্বাচনে হারের বিষয়ে পর্যালোচনা করবে। আর সেই অনুসারেই রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বাংলায় আসন সমঝোতা নিয়ে বামফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনায় বসবে। পশ্চিমবঙ্গে বামেদের মূল প্রতিপক্ষ তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি অত্যান্ত শক্তিশালী। বিজেপি বাংলা দখলের মরিয়া প্রয়াস চালাচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। কিন্তু বিহার নির্বাচনে হারের থেকে শিক্ষা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বাম কংগ্রেস জোটকে চালকের আসনে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। 

করোনা যোদ্ধার কাছে হার মানল কোবরা, ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার কাছে কাবু বিষধর সাপ

কোভ্যাক্সিন আসার দিনক্ষণ জানালেন ভারত বায়োটেক কর্তা,করোনা প্রতিষেধকের কার্যকারিতা নিয়েও আশা প্রকাশ .

সদ্যো সমাপ্ত বিহার বিধানসভা নির্বাচনে ৭০টি আসনে লড়াই করেছিল কংগ্রেস। মাত্র ১৯টি আসনেই জয়লাভ করেছে দলটি। ২০১৪ সালের পর থেকেই কংগ্রেস একের পর এক নির্বাচনে খারাপ ফল করছে। শুধু বিহার নয় উত্তর প্রদেশ নির্বাচনেও অখিলেশের সঙ্গে জোট বেঁধেছিলেন রাহুল গান্ধী। সেই নির্বাচনেও কংগ্রেস মাত্র ১৭টি আসন পেয়েছেন। তুলনামূলকভাবে অনেকটাই ভালো ফল করেছিল সমাজবাদী পার্টি। একই ছবি অসমে, দীর্ঘ দিন ধরেই এই রাজ্যটি কংগ্রেসের অধীনে থাকলেও ২০১৬ সালে ক্ষমতাচূত্য হয় কংগ্রেস। বর্তমানে তাদের দখলে রয়েছে মাত্র ২৬টি আসন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে ওড়িশা বিধানসভাতেই বিরোধী দলের মর্যাদা হারিয়েছে কংগ্রেস। সেখানে বিরোধী দলে রয়েছে বিজেপি। 


সদ্যো সমাপ্ত বিহার নির্বাচনে বামদলগুলি যথেষ্ট ভালো ফল করে। কারণ সিপিআই এমএল ১৯টি আসনে লড়াই করে ১২টি জয় হাসিল করেছে। সিপিআই ও সিপিএম দুটি আসন পেয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে এই দুটি দলের কোনও প্রতিনিধি ছিল না বিহার বিধানসভায়। দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন বিহারে মহাজোটের ক্ষেত্রে কংগ্রেস একটি বড় অবসন্নতা ছিল। আসন সমঝতোরা বিষয়টি আরও বাস্তব সম্মত হলেই ভালো হত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বিহারে দলীয় সাফল্য উৎসাহি সিপিআইএম লিবারেশন এবার বাংলা ভালো ফল করার বিষয়ে তোড়জোড় শুরু করেছে। জোট নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।