কথায় আছে বিষে বিষ ক্ষয়। অনেকটা তেমনই ঘটনা রাজস্থানের ব্রিটিশ স্বেচ্ছাসেবীর ক্ষেত্র। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ, জেঙ্গু আর ম্যালেরিয়ার মত মারাত্মক সব অসুখকে হার মানিয়েছিলেন তিনি। তারপরই ইয়ান ডোন্স হার মানান কোবরার ছোবলকেও। বর্তমানে তিনি রাজস্থানের রাজধানী জয়পুর থেকে সাড়ে তিনশো কিলোমিটার দূরে যোধপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। 

ব্রিটিশ দাতব্য কর্মী ইয়ান জোন্স। রাজস্থানের যোধপুরের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পীদের সঙ্গে কাজ করেন।  তাঁদেরকে নানা ভাবে সাহায্য করে থাকেন। আর সেই কারণে এই মহামারির সময়ই তিনি সুদূর ইংল্যান্ড থেকে ছুটে এসেছিলেন ভারতে। কাজ করছিলেন যোধপুরের একটি এলাকায়। সেখানেই গত সপ্তাহে তাঁকে ছোবল মারে একটি কিং কোবরা। ভারতে পাওয়া বিষধর সাপগুলির অন্যতম বলেই দাবি করেন বিশেষজ্ঞরা। আর সেই সাপের ছোবলের পরেও তিনি সুস্থ হয়ে গেছে। 

দুর্গা পুজোয় ২০০ টাকা চাঁদা না দেওয়ার 'শাস্তি', ২ সপ্তাহ ধরে সামাজিক বয়কট ১৪টি আদিবাসী পরিবারকে ...

রাতের অন্ধকারে ৩০ কিলোমিটার পাকদণ্ডী অতিক্রম জঙ্গিদের, জম্মু হামলায় সামনে আসছে ভয়ঙ্কর তথ্য ...

সুদূর ইংল্যান্ড থেকে তাঁর ছোলে জানিয়ছেন, ভারতে যাওয়ার আগেই জোন্সের ডেঙ্গু আর ম্যালেরিয়ার মত রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তিনি করোনাভাইরাসেও সংক্রমিত হয়েছিলেন। ইংল্যান্ড থেকে হাসপাতালের বিল মিটিয়ে দেওয়ার সময়ই জানিয়েছিলেন তিনি। চিকিৎসকরাও জানিয়েছেন বর্তমানে সুস্থ রয়েছেন জোন্স। প্রথম দিকে তাঁর দৃষ্টি শক্তি ঝাপসা ছিল। হাঁটাচলাতে সমস্যা ছিল। যা সাধারণত সাপে কাটা রোগীদের ক্ষেত্রে দেখতে পাওয়া যায়। এই লক্ষ্মণগুলি ক্ষণস্থায়ী বলেও জানিয়েছেন যোধপুর হাসপাতেলের চিকিৎসকরা। হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে যোধপুর হাসপাতালেও তাঁর করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেখানেও দেখা যায় তিনি করোনা নেগেটিভ। অন্য়দিকে তাঁর ছেলে জানিয়েছেন মহামারির কারণে তিনি বাবাতে নিয়ে যেতে আসতে পারছেন না। কিন্তু বাবার আরোগ্য কামনার পাশাপাশি তাঁর বাড়ি ফেরের জন্য অপেক্ষা করে রয়েছেন।