উত্তর প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন আব্দুল সামাদ ঘটনার নিন্দা রাহুল গান্ধীর  শ্রীরামকে টেনে এনে প্রতিক্রিয়া  পাল্টা রামকে টেনেই উত্তর যোগীর   

বিধানসভা ভোটের আগে ক্রমশই উত্তপ্ত হচ্ছে উত্তর প্রদেশের রাজনীতি। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতেই সোশ্যাল মিডিয়া তরজায় জড়িয়ে পড়লেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী আর উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। গাজিয়াবাদে বৃদ্ধ মুসলিম ব্যক্তির ওপর হামলার নিন্দা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। তারপরই যোগী আদিত্যনাথ কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা আর বিষ ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হন। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred
Scroll to load tweet…

ঘটনার সূত্রপাত গত ৫ জুন। একদল মানুষ আব্দুল সামাদকে অপহরণ করে। তাঁকে ছুরি দেখিয়ে হুমকি দেয়। তাঁকে পাকিস্তানিগুপ্তচর তকমা দিয়ে তাঁর দাড়ি কেটে ফেলা হয়েছিল। পুরো ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। সেই ভিডিওতেই দেখা গিয়েছিল একদল মানুষ সামাদকে ঘিরে জয় শ্রীরাম আর বন্দেমাতরম বলে স্লোগান দিচ্ছিল। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন। 

'সামরিক ট্রেন' চালাল ভারতীয় রেল, দ্রুত সেনাবাহিনীকে একত্রিত করার লক্ষ্যেই এই পরীক্ষা .

সেই রেশ ধরেই রাহুল গান্ধীও ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন। হিন্দিতে একটি টুইট করে রাহুল গান্ধী বলেন, তিনি কখনও বিশ্বাস করতে রাজি নন যে শ্রীরামের ভক্তরা এজাতীয় কাজ করতে পারে। এজাতীয় নিষ্ঠুরতা মানবতার থেকে অনেক দূরে। সমাজ আর ধর্ম উভয়ের পক্ষেই লজ্জাজনক। রাহুলের এই প্রতিক্রিয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হন যোগী আদিত্যনাথ।

এবার কি আরও দামি হবে কোভ্যাক্সিন, কোভিড টিকা নিয়ে ভারত বায়োটেকের মন্তব্য ঘিরে জল্পনা ...

রাহুল গান্ধীকে রীতিমত খোঁচা দিয়ে যোগী জানিয়েছেন ভগবান শ্রীরামের প্রথম পাঠই হল সত্য কথা বলা। যা রাহুল জীবনে কখনও বলেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বলেন পুলিশ সত্য বসাতার পরেও রাহুল গান্ধী সমাজে বিষ ছড়িয়ে দিতে ব্যস্ত রয়েছেন। শক্তি আর মানবিকতাকে লাঞ্চিত করা হয়েছে। উত্তর প্রদেশের মানুষকে রাহুল গান্ধী অপমান করেছেন বলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করেছেন যোগী আদিত্যনাথ। একই সঙ্গে এজাতীয় ক্রিয়াকলাপ বন্ধ করার আর্জিও জানিয়েছেন তিনি।

রাজ্যে শুরু হচ্ছে শিশুদের শরীরে করোনা টিকা পরীক্ষা, জানুন বিস্তারিত ...

আব্দুল সামাদকাণ্ডে উত্তর প্রদেশের পুলিশ এখনও পর্যন্ত তিন জনকে গ্রেফতার করেছে। তবে এই ঘটনায় কোনও সাম্প্রদায়িক যোগ নেই বলেও জানিয়েছে। এই ঘটনায় মোট ৬ জন অভিযুক্ত রয়েছে। যাদের মধ্যে হিন্দুদের পাশাপাশি মুসলিমরাও রয়েছে সামাদ তাদের তাবিজ বিক্রি করেছিল। সেই তাবিজ নিয়ে তারা সন্তুষ্ট ছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।