এয়ার ইন্ডিয়া ঘোষণা করেছে যে ভারত থেকে তেল আবিবের সমস্ত ফ্লাইট পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এদিকে, বিদেশ মন্ত্রক ইসরায়েলে উপস্থিত ভারতীয়দের জন্য একটি পরামর্শও জারি করেছে।

শনিবার অর্থাৎ ৭ই অক্টোবর থেকে প্যালেস্তাইনের হামাস যোদ্ধাদের ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আকস্মিক যুদ্ধে জরুরি অবস্থা তৈরি হয়েছে। নিরাপত্তা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এয়ার ইন্ডিয়া তেল আবিবের ফ্লাইট বাতিল করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও স্পষ্ট করেছেন যে ভারতের সহানুভূতি এই সংকটের সময়ে ইসরায়েলের সঙ্গে রয়েছে। এদিকে, এয়ার ইন্ডিয়া ঘোষণা করেছে যে ভারত থেকে তেল আবিবের সমস্ত ফ্লাইট পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এদিকে, বিদেশ মন্ত্রক ইসরায়েলে উপস্থিত ভারতীয়দের জন্য একটি পরামর্শও জারি করেছে। এয়ার ইন্ডিয়াও যাত্রীদের সম্ভাব্য সব ধরনের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে। শনিবার দিল্লি থেকে তেল আবিব এবং তেল আবিব থেকে দিল্লি যাওয়ার ফিরতি ফ্লাইট AI140 বাতিল করা হয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা করেছেন যে এটি একটি যুদ্ধ এবং আমরা এটি জিতব। এর পর পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরাইলও গাজা উপত্যকায় বোমাবর্ষণ করে। এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে ফ্লাইট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া। আমেরিকা, ইউক্রেন, জার্মানি এবং ফ্রান্সের মতো দেশগুলি ইসরায়েলকে সমর্থন করেছে এবং বলেছে যে আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে, ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার রয়েছে।

হামাসের রকেট হামলার জবাব দিয়েছে ইসরাইল

শনিবার সকালে ইসরায়েলে ৫ হাজারের বেশি রকেট হামলা চালায় হামাস। এরপর প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা উপত্যকায় আকাশ, জলপথে বোমাবর্ষণ করে। উভয় পক্ষের হামলার অনেক ভয়ঙ্কর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তার সর্বশেষ বিবৃতিতে হামাস যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক হামলার তথ্য দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, 'হামাসের হামলার জবাবে আমরা অপারেশন 'আয়রন সোর্ডস' শুরু করেছি।' বলা হচ্ছে, এ পর্যন্ত হামাসের ১৭টি অবস্থানে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল।

ইসরাইল যুদ্ধ ঘোষণা করে, বিশ্ব দুই ভাগে বিভক্ত

ইসরায়েলের যুদ্ধ ঘোষণায় সারা বিশ্বে প্রতিক্রিয়ার বন্যা বইছে। ভারত ও আমেরিকা প্রকাশ্যে ইসরাইলকে সমর্থন করেছে। অন্যদিকে ইরান ও কাতারের মতো দেশগুলো এর জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছে। সৌদি আরব যুদ্ধকে বিপজ্জনক বলে বর্ণনা করেছে এবং উভয় পক্ষকে সংযমের আবেদন জানিয়েছে। ফ্রান্স ও জার্মানিও ইসরায়েলকে সমর্থন করেছে। বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ভিডিও বার্তায় বলেছেন, এর জন্য হামাস ও প্যালেস্তাইনকে কঠিন মূল্য দিতে হবে।