হরমুজ প্রণালীতে ভারতীয় পতাকাবাহী ১৩টি জাহাজে ৫৬২ জন ভারতীয় নাবিক ১০৭ দিন ধরে ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। 'এমটি সেলেস্টিয়াল' (MT Celestial) জাহাজে অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়া ভারতীয় নাগরিক নিশান্ত উরথানাথনের মরদেহ শীঘ্রই ভারতে ফিরিয়ে আনা হতে পারে।
হরমুজ প্রণালীতে ভারতীয় পতাকাবাহী ১৩টি জাহাজে ৫৬২ জন ভারতীয় নাবিক ১০৭ দিন ধরে ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। 'এমটি সেলেস্টিয়াল' (MT Celestial) জাহাজে অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়া ভারতীয় নাগরিক নিশান্ত উরথানাথনের মরদেহ শীঘ্রই ভারতে ফিরিয়ে আনা হতে পারে। ওমানের মাস্কাটে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস রবিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, তারা নিশান্ত উরথানাথনের পরিবারের পাশাপাশি জাহাজের নাবিক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রাখছে। নিশান্ত দুর্ভাগ্যবশত অসুস্থতার কারণে মারা গিয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়, "তাঁর মরদেহ জাহাজ থেকে নামিয়ে যত দ্রুত সম্ভব ভারতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।"

'এমটি সেলেস্টিয়াল' জাহাজটি বর্তমানে ওমানের দুকম বন্দরে রয়েছে। ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, তারা জাহাজটির কোম্পানির সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
হরমুজ প্রণালীতে ভারতীয় পতাকাবাহী অন্তত ১৩টি পণ্যবাহী জাহাজ এবং সেগুলোতে থাকা ৫৬২ জন ভারতীয় নাবিক ১০৭ দিন ধরে আটকে পড়ে আছেন। নৌ-পরিবহন মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ৩২৯ জন নাবিক প্রণালীর পশ্চিমে এবং ২৩৩ জন ওমান উপসাগরে (যা প্রণালীর পূর্বে অবস্থিত) আটকে পড়েছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা শুরুর পর থেকেই এই ৫৬২ জন নাবিক হরমুজ প্রণালী ও ওমান উপসাগর এলাকায় আটকে পড়ে আছেন। ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে কঠিন পরিস্থিতিতে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন।
রবিবার 'বিরাট ১' (Virat 1) নামের ভারতীয় পতাকাবাহী আরেকটি জাহাজকে কেন্দ্র করে নতুন একটি ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, তারা ওমান উপকূলের কাছে জাহাজটি সম্পর্কিত একটি ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরেছে। দূতাবাস জানায়, "খবর অনুযায়ী, জাহাজটিতে ১৪ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। ওমানি কর্তৃপক্ষ এবং ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকা অন্যান্য জাহাজের সহায়তায় একটি উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, 'বিরাট ১'-এর ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে এবং নাবিকরা নিরাপদে লাইফবোটে চলে যান। ওমানি কর্তৃপক্ষের সহায়তায় এবং কাছাকাছি থাকা জাহাজগুলোর অংশগ্রহণে একটি উদ্ধার অভিযান চলছে।
