Air India: জ্বালানির বাড়তি খরচের ধাক্কায় বড় সিদ্ধান্ত এয়ার ইন্ডিয়ার। বাড়তে থাকা জ্বালানির খরচ এবং চাহিদার ওঠানামার মধ্যে দেশীয় উড়ান পরিষেবায় বড়সড় কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত নিল Air India। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে পয়লা জুন থেকে।

Air India: জ্বালানির বাড়তি খরচের ধাক্কায় বড় সিদ্ধান্ত এয়ার ইন্ডিয়ার। বাড়তে থাকা জ্বালানির খরচ এবং চাহিদার ওঠানামার মধ্যে দেশীয় উড়ান পরিষেবায় বড়সড় কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত নিল Air India। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, আগামী কয়েক মাসের জন্য দেশীয় উড়ান বা ফ্লাইটের সংখ্যা সর্বোচ্চ ২২ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হতে পারে। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে পয়লা জুন থেকে এবং প্রাথমিকভাবে তা প্রায় ৯০ দিন পর্যন্ত বহাল থাকতে পারে। বিমান সংস্থার এই পদক্ষেপের নেপথ্যে রয়েছে এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (ATF)-এর লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি। বিমান চলাচল শিল্পে জ্বালানির খরচ সবচেয়ে বড় ব্যয়ের অন্যতম। সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও আকাশপথ সংক্রান্ত বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে উড়ান পরিচালনার খরচ আরও বেড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিমান সংস্থাগুলির লাভ-লোকসানের হিসাবের উপর।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

'ক্যাপাসিটি ডিসিপ্লিন'-র পথে হাঁটছে বিমান সংস্থাগুলি

শুধু এয়ার ইন্ডিয়াই নয়, দেশের বিমান পরিবহণ শিল্পের একাংশ বর্তমানে ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ বা 'ক্যাপাসিটি ডিসিপ্লিন'-র পথে হাঁটছে বলে জানা যাচ্ছে। গরমের ছুটির পর যাত্রী চাহিদা কিছুটা কমে যাওয়াও এই সিদ্ধান্তের পিছনে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। সূত্রের খবর, প্রথম ধাপে কিছু নির্দিষ্ট রুটে উড়ানের সংখ্যা কমানো হবে। বিশেষ করে মুম্বই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ এবং কলকাতার মতো বড় বিমান কেন্দ্রগুলিতে এর প্রভাব পড়তে পারে। কিছু কম চাহিদাসম্পন্ন রুটে পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ বা ফ্রিকোয়েন্সি কমানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।

দেখুন খবরটি

Scroll to load tweet…

যাত্রীদের জন্য কী বার্তা

তবে যাত্রীদের আশ্বস্ত করেছে সংস্থা। যাঁদের টিকিট আগে থেকেই বুক করা রয়েছে, তাঁদের বিকল্প উড়ানে স্থানান্তর, বিনামূল্যে যাত্রার তারিখ পরিবর্তন অথবা সম্পূর্ণ অর্থ ফেরতের সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। টাটা গোষ্ঠীর মালিকানাধীন এয়ার ইন্ডিয়ার দাবি, এটি দীর্ঘমেয়াদি সঙ্কোচন নয়, বরং আর্থিক ভারসাম্য বজায় রেখে ভবিষ্যতের জন্য পরিষেবা আরও কার্যকর করে তোলার উদ্যোগ। সংস্থা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং জ্বালানির দাম স্বাভাবিক হলে ও চাহিদা বাড়লে আবার পরিষেবা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।