কেউ বাদ যাবে না। প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিককেই করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক দেওয়া হবে। ভারতের প্রথম শ্রেণির একটি ইংরেজি দৈনিকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় এমনই  জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেছেন করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক গোটা দেশে যাতে সুষ্ঠুভাবে সরবরাহ করা যায় সেই জন্যই ইতিমধ্যেই একটি কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্র সরকার।


ইংরাজি দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন তিনি দেশের মানুষদের আশ্বস্থ করতে চান যে যখন করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক পাওয়া যাবে তখন সবাইকে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। দেশের কোনও মানুষই বাদ যাবেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলেন, প্রথম অবশ্যেই জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের টিকাপ্রদান করা হবে। প্রতিষেধক বিলির সময় গুরুত্ব পাবেন এমন ব্যক্তি যাঁদের জীবনে ঝুঁকি রয়েছে, বলেও জানিয়েছেন তিনি।  

করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক দেশের জনগণকে দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশে ২৮ হাজারেও বেশি কোল্ড চেইন  তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আর এই কোল্ড চেইনের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় করোনা প্রতিষেধক সংরক্ষণ ও বিতরণ করা হবে। প্রতিষেধক নিরাপদে ও দ্রুততার সঙ্গে পৌঁছে দেওয়ার ওপরেও গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রতিষেধক বিলির গুরুদায়িত্ব দেওয়া হবে স্থানীয় প্রশাসনকে। আর প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে জবাবদিহিও করতে করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন, প্রতিষেধক বিকাশ ও বিচারের কাজ চলছে। দেশের নাগরিকদের কী ভাবে  প্রতিষেধক দেওযা হবে তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গ্রহণ করা হবে। তাঁদের মতামতই শীরোধার্য করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। পুরো বিষয়টিতে তাঁরাই গাইড করবেন বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিশ্বে প্রায় ১৫০টি করোনাভাইরাস প্রতিষেধকের ট্রায়াল রান চলছে। ভারতেও বেশ কয়েকটি প্রতিষেধক বিকাশ ও বিচারের কাজ হচ্ছে। 

নাম না করে এদেশের মাটি থেকে চিনকে বার্তা, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারতকে পাশে চায় আমেরিকা ...

অভিনন্দনকে না ছাড়লে আক্রমণ করবে ভারত, শুনেই ভয় পান সেনাপ্রধান, পাক সংসদে বিস্ফোরক বয়ান সংসদের .

বিহারে বিজেপির ভোট প্রতিশ্রুতিতে বলা হয়েছিল যে ভোটে জিতলেই প্রত্যেক বাসিন্দাকে বিনামূল্যে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক দেওয়া হবে। তারপরই এই প্রতিশ্রুতির তীব্র সমালোচনা শুরু করে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। বিজেপি করোনারভাইরাসের প্রতিষেধক নিয়েও রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতাপ সরঙ্গী ওড়িশায় ভোট প্রচারে গিয়ে স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে প্রত্যেক নাগরিককেই বিনামূল্যে করোনার প্রতিষেধক দেওয়া হবে। তারপর বিষয়টি নিয়ে আরও স্পষ্ট করেই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী জানিয়েছিলেন আগামী বছর প্রথম তিন মাসের মধ্যেই করোনা প্রতিষেধক হাতে আসতে পারে ভারতের। আর তার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।