বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে আমেরিকা ভারতের সহযোগিতা আর বন্ধুত্ব চায়। টু প্লাস টু বৈঠকের পরই এই কথা বলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র মরগান অর্টাগাস। তিনি বলেন বেশ কয়েকটি বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে তাদের দেশ। কিন্তু সব পরিস্থিতি একা সামলাতে পারবে না। আর সেকারণেই সাহায্যের দাবি জানিয়ে ভারতের দিকে হাত বাড়িয়েছে তারা। 

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র মরগান জানিয়েছেন, বর্তমান বিশ্বে ভারত রীতিমত শক্তিশালী একটি দেশ। আর সেই কারণেই ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্ব জুড়ে তাদের অনেক মিত্র থাকলেও ভারত তাদের কাছে অনেকবেশি গুরুত্বপূর্ণ।  আর সেই কারণেই ভারতের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন বিশ্বের শক্তিশালী এই দেশটির। রাজনৈতিক সম্পর্কের বাইরে ভারত ও মার্কিন সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি বলেছেন বিশ্ব মঞ্চে বেশ কয়েকটি বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে ভারতের কাছে থেকে প্রয়োজনীয় সাহায্য প্রত্যাশা করে তারা। মরগান আরও বলেন বর্তমান পরিস্থিতি প্রতিরক্ষা ও সুরক্ষা ছাড়াও ভারত ও আমেরিকার সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

মঙ্গলবারই মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাইক পম্পেও ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মার্ক এসপারের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ও বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। পাশাপাশি দুই মার্কন মন্ত্রী ভারতের তিন বাহিনীর সেনা প্রধান, চিফ ডিফেন্স স্টাফ ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গেও বৈঠক করেছিলেন। ভারতে থেকে লাদাখ ইস্যুতেই ভারতের পাথে থাকার প্রতিরশ্রুতি দিয়েছিলেন মাইক পম্পেও। কিন্তু মার্কিন ভূমিকার তীব্র বিরোধীতা করেছে চিন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই ভূমিকাকে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ বলেই বর্ণনা করেছে। কিন্তু তারপরেও ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আগামী সপ্তাহে মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।  তারমধ্যেই দুই মার্কিন মন্ত্রীর এই ভারত সফর রীতিমত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।