- Home
- India News
- Cockroach Janta Party: তেলাপোকা থেকে ট্রেন্ডিং রাজনীতি! CJP ও প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে নিয়ে চর্চা তুঙ্গে
Cockroach Janta Party: তেলাপোকা থেকে ট্রেন্ডিং রাজনীতি! CJP ও প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে নিয়ে চর্চা তুঙ্গে
cockroach janta party: সোশ্যাল মিডিয়ায় জন্ম হয়েছে ককরোজ জনতা পার্টি বা CJP-র কিন্ত তারই মধ্যে টক্কর দিয়েছে দেশের শাসক দল বিজেপিকে। কিন্তু কী এই দলের বৈশিষ্ট্য , যা আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে দেশের তরুণ সম্প্রদায়ের কাছে? তাই নিয়ে কাটা ছেঁড়া শুরু হয়েছে।

ককরোজ জনতা পার্টি
জন্মের পরই ঘুম ছুটিয়ে দিয়েছে শাসক দলের। এখনও এক সপ্তাহ হয়নি সোশ্যাল মিডিয়ায় জন্ম হয়েছে ককরোজ জনতা পার্টি বা CJP-র কিন্ত তারই মধ্যে টক্কর দিয়েছে দেশের শাসক দল বিজেপিকে। কিন্তু কী এই দলের বৈশিষ্ট্য , যা আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে দেশের তরুণ সম্প্রদায়ের কাছে? তাই নিয়ে কাটা ছেঁড়া শুরু হয়েছে।

CJP-র মূল বিবরণ
ককরোজ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠা ১৬ মে ২০২৬। ট্যাগ লাইন হল 'অলস ও বেকারদের কণ্ঠস্বর।' সোশ্য়াল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলে দিয়েছে। তবে শুধু তরুণদের কাছেই নয়, প্রবীণ ও বয়স্কদের কাছেও যথেষ্ট আকর্ষণীয়।
প্রতিষ্ঠাতা
সিজেপি বা ককরোজ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হলেন অভিজিৎ দীপকে। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বস্টনের ছাত্র। বয়স মাত্র ৩০। তিনি আম আদমি পার্টির প্রাক্তন রাজনৈতিক যোগাযোগ কৌশলবিদ। দেশের প্রধান বিচারপতির মন্তব্যের সরাসরি জবাব হিসেবেই তিনি ককরোজ জনতা পার্টি তৈরি করেছেন বলেও দাবি করেন।
প্রধান বিচারপতির মন্তব্য
মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন যে, হতাশাগ্রস্ত বেকার যুবকেরা কোনো উপায় না পেয়ে সাংবাদিকতা, সমাজকর্ম অথবা আইন পেশাকে বেছে নিচ্ছেন। যদিও পরবর্তীকালে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট করে জানান যে, বেকারদের সমালোচনা করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না এবং তাঁর বক্তব্য বিকৃত করা হয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা দেন যে, তাঁর 'পরজীবী' মন্তব্যটি মূলত সেই ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে ছিল, যারা জাল ডিগ্রি ব্যবহার করে নির্দিষ্ট পেশায় প্রবেশের চেষ্টা করে
সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়
এই বিতর্কিত মন্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। এর জেরে অভিজিৎ দিপকে নামের এক তরুণ 'ককরোচ জনতা পার্টি' (CJP) নামে একটি প্রতীকী বা স্যাটায়ার (ব্যঙ্গাত্মক) প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলেন। 'ম্যায় ভি ককরোচ' (Main Bhi Cockroach)এই স্লোগান সামনে রেখেই পথ চলা শুরু করে।
তৈরি ওয়েবসাইটও
ফেসবুক, টুইটার বা ইনস্টাগ্রাম নয়, তৈরি হয়েছে একটি ওয়েবসাইটও। সেখানেও দলের আদর্শ, লক্ষ্য সম্পর্কে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে। সিজেপি-র ওয়েবসাইট অনুযায়ী আন্দোলনের লক্ষ্য হলঃ
আমরা এখানে আরেকটি পিএম কেয়ার্স প্যাকেজ চালু করতে, করদাতার টাকায় দাভোসে ছুটি কাটাতে, বা দুর্নীতিকে 'কৌশলগত ব্যয়' হিসেবে নতুন আখ্যা দিতে আসিনি। আমরা এখানে উচ্চস্বরে, বারবার, লিখিতভাবে জিজ্ঞাসা করতে এসেছি—টাকাগুলো কোথায় গেল।
সেইসব তরুণদের জন্য একটি দল গঠন করুন, যাদেরকে প্রতিনিয়ত অলস, সারাক্ষণ অনলাইনে থাকা এবং—সম্প্রতি—তেলাপোকা বলে ডাকা হয়। ব্যস, এটুকুই। এটাই লক্ষ্য। বাকিটা ব্যঙ্গ।
ইস্তেহার
৫টি প্রতিশ্রুতিকে সামনে রেখেই শুরু হয়েছে ককরোজ জনতা পার্টির পথচলা। সেগুলি হলঃ
- প্রধান বিচারপতি ক্ষমতায় এলে, কোনো প্রধান বিচারপতিকে অবসর-পরবর্তী পুরস্কার হিসেবে রাজ্যসভার আসন দেওয়া হবে না ।
- সিজেপি বা বিরোধী-শাসিত রাজ্য, যেখানেই হোক না কেন, যদি কোনো বৈধ ভোট বাতিল করা হয়, তাহলে ইউএপিএ-এর অধীনে সিইসি-কে গ্রেপ্তার করা হবে , কারণ নাগরিকদের ভোটাধিকার হরণ করা সন্ত্রাসবাদের চেয়ে কম কিছু নয়।
- সংসদের সদস্য সংখ্যা না বাড়িয়েই নারীরা ৩৩% নয়, ৫০% সংরক্ষণ পাবেন । এছাড়াও, মন্ত্রিসভার সকল পদের ৫০% নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
- সত্যিকারের স্বাধীন গণমাধ্যমের পথ প্রশস্ত করার জন্য আম্বানি ও আদানির মালিকানাধীন সকল গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হবে । গোদি মিডিয়ার অ্যাঙ্করদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তদন্ত করা হবে।
- কোনো বিধায়ক বা সাংসদ এক দল থেকে অন্য দলে দলত্যাগ করলে , তিনি ২০ বছরের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এবং যেকোনো সরকারি পদ ধারণ করা থেকে নিষিদ্ধ হবেন ।
সিজেপি-র সদস্য হওয়ার যোগ্যতা
- সিজেপি-র সদস্য হওয়ার যোগ্যতা হলঃ
- বেকার হতে হবে
- অসল হতে হবে
- ক্রমাগত অনলাইনে থাকতে হবে
- পেশাগতভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করতে পারে
- সিজেপির ওয়েব সাইটের ঠিকানাঃ
সিজেপি বিতর্ক
বিজপিকে টক্কর দিচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে। যদিও তাদের ওয়েবসাইট হ্য়াক করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া ব্লক করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

