মন্ত্রীসভায় ঠিক কারা কারা আসন পাচ্ছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই কানাঘুষো আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। নিন্দুকেরা বলছেন বিজেপিতে টিকে থাকতে গেলে এখন মোদী-অমিতের কাছেই হাজিরা দিতে হবে। পাশাপাশি দলের মধ্যেই অনেকে আবার বলছেন ঠিক কে কে মন্ত্রী হচ্ছেন সেটা একমাত্র অমিত-মোদীই জানেন। এরই মাঝে রাজ্যসভা থেকে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তি জল্পনা আরও উস্কে দিয়েছে। 

মঙ্গলবার প্রকাশিত এই বিজ্ঞপ্তিতে কার্যত দেশের মানচিত্রে দুটো খুঁটি পুঁতে দিয়েছে বিজেপি। রাজ্যসভার দুই শীর্ষ নেতার প্রকাশ লোকসভাতে। গুজরাটের অমিতভাই তো আছেনই, তার পাশাপাশি জায়গা করে নিয়েছেন বিহারের রবিশঙ্করও। এছাড়াও এআইডিএমকের কানিমোঝিও রয়েছেন এই তালিকাতে। এখন এই ঘটনার পর এটা স্পষ্ট যে অমিত শাহ মন্ত্রীত্ব পাচ্ছেন। আর তাই পপুলার হাউসের পপুলার রাজনীতিতে কার্যত ফিতে কাটতে চলেছেন তিনি। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা আগেই বলেছেন অমিতকে উত্তরসূরি হিসেবে দেখছেন নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু তারই মাঝে কি নিজের সহায়ক হিসেবে অমিতকে দেখছেন মোদী? অন্যদিকে অরুন জেটলিও ছাড়তে চাইছেন নিজের পদ। তবে কি জেটলির পদে বসতে চলেছেন অমিত।

আরও পড়ুন- ৫ ঘণ্টায় ৫ বছরের গেমপ্ল্যান, নিভৃতে কী কথা বললেন মোদী-শাহ

তবে অমিতের মন্ত্রী হওয়ার ফলে বিজেপির অন্দরে শুরু হয়েছে আরও এক কোন্দল। বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি হবেন কে? দলের একতরফের বেশ কিছু সমর্থক বলছেন সবচেয়ে যোগ্য হবেন জেপি নড্ডা। অন্যদিকে মোদীর আরএসএস প্রীতির কথা ভেবে অনেকেই বলছেন নীতিন গড়করিও পেতে পারেন সেই দায়িত্ব।