দিল্লি থেকে চেন্নাইগামী বিমানে বিপত্তি। যাত্রীর পাওয়ার ব্যাঙ্ক থেকে ধোঁয়া বের হতে শুরু করতেই আতঙ্ক ছড়ায় কেবিনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হায়দরাবাদে জরুরি অবতরণ করানো হয় বিমানটিকে। ঘটনার একটি আতঙ্কজনক ভিডিও সামনে এসেছে। রবিবার দিল্লি থেকে চেন্নাইগামী ইন্ডিগোর একটি ফ্লাইটে ঘটে এই ঘটনা।
দিল্লি থেকে চেন্নাইগামী বিমানে বিপত্তি। যাত্রীর পাওয়ার ব্যাঙ্ক থেকে ধোঁয়া বের হতে শুরু করতেই আতঙ্ক ছড়ায় কেবিনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হায়দরাবাদে জরুরি অবতরণ করানো হয় বিমানটিকে। ঘটনার একটি আতঙ্কজনক ভিডিও সামনে এসেছে। রবিবার দিল্লি থেকে চেন্নাইগামী ইন্ডিগোর একটি ফ্লাইটে ঘটে এই ঘটনা। জানা গিয়েছে, এক যাত্রীর পাওয়ার ব্যাঙ্কে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে বিমানের ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নেভানোর জন্য অন্য যাত্রীরা ব্যাগ দিয়ে চাপড় মারতে শুরু করেন। তবে শেষ পর্যন্ত কেবিন ক্রুরা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চেন্নাইয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল ইন্ডিগোর ৬ই ৬১১৫ নম্বরের ফ্লাইটটি। ঘটনার পর বিমানটিকে হায়দরাবাদের শামশাবাদে অবস্থিত রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (RGIA) ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিরাপদে অবতরণ করে বিমানটি।
কী জানাল ইন্ডিগো?
এক বিবৃতিতে ইন্ডিগো জানিয়েছে, ১১ অক্টোবর ২০২৬-এ দিল্লি-চেন্নাইগামী ৬ই ৬১১৫ ফ্লাইটে এক যাত্রীর ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে পাইলটরা নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মেনে বিমানটিকে হায়দরাবাদে ঘুরিয়ে নিয়ে যান। কেবিন ক্রুদের দ্রুত পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে। যাত্রীদের চেন্নাইয়ে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিকল্প বিমানের ব্যবস্থা করা হয়। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে যাত্রীদের অসুবিধার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছে বিমান সংস্থাটি। পাশাপাশি যাত্রীদের জলখাবার ও পানীয় সরবরাহ এবং প্রয়োজনীয় তথ্য জানানোর ব্যবস্থাও করা হয় বলে জানিয়েছে ইন্ডিগো।
কেন পাওয়ার ব্যাঙ্কে আগুন লাগতে পারে?
এই ঘটনাটি লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ব্যবহারের সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি সামনে এনেছে। পাওয়ার ব্যাঙ্ক-সহ বিভিন্ন বহনযোগ্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসে সাধারণত এই ধরনের ব্যাটারি ব্যবহৃত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা কোনও অভ্যন্তরীণ ত্রুটির কারণে এই ধরনের ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে। ভ্রমণের সময় মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস চার্জ করার জন্য বিমান যাত্রীরা প্রায়ই পাওয়ার ব্যাঙ্ক সঙ্গে রাখেন। বিমানের ভেতরে বহনযোগ্য ব্যাটারির কারণে আগুন লাগলে পরিস্থিতি যাতে আরও খারাপ না হয়, সেজন্য কেবিন ক্রুদের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
