শেষ হল ভারতীয় রাজনীতির এক বর্ণময় অধ্যায়। প্রয়াত হলেন দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা অরুণ জেটলি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। তাঁর অকাল প্রায়াণে দেশ জুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তাঁর প্রয়াণে শোকাহত সমগ্র রাজনৈতিক মহল। 

শ্বাসকষ্টজনিত সমস্য়া নিয়ে গত ৯ অগাস্ট দিল্লির (এইসমস)-এ ভর্তি হন অরুণ জেটলি। এরপর থেকে টানা দু-সপ্তাহ ধরে চলে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই, অবশেষে সেই লড়াইয়ে ইতি টেনে অস্তাচলে অরুণ। শনিবার বেলা ১২টা বেজে ৭ মিনিট নাগাদ দিল্লির এইমস-এ  শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অরুণ জেটলি। শনিবার বিকেলেই হাসপাতাল থেকে তাঁর মরদেহ নিয়ে আসা হয় তাঁর কৈলাশ কলোনির বাসভবনে। রবিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত তাঁর মরদেহ তাঁর বাসভবনেই ছিল। 

এখনও কাটেনি সুষমা স্বরাজের মৃত্যু শোক, তাঁর প্রয়াণে কী প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন জেটলি

 

ইতিমধ্যেই তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে বিজেপির সদর দফতরে। সেখানেই তাঁর মরদেহ রাখা হবে বেশ খানিক্ষণ। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি  সাধারণ মানুষও তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। এরপর আজ পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে নিগামবোধ ঘাট শ্মশানে। 

দলীয় রাজনীতির বাইরে এক অন্য অরুণ, একজন 'আল্টিমেট ব্যাকরুম স্ট্র্যাটেজিস্ট'

চলে গেলেন জেটলি, রেখে গেলেন ১১ মাইলস্টোন

 

গত কয়েক বছর ধরেই শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন অরুণ জেটলি। যদিও নিজের সুস্থতার কথা নিজে খুব একটা প্রকাশ্যে আনতেন না। প্রথমবারের মোদী সরকারের শেষ কয়েকমাস চিকিৎসার জন্য মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন তিনি। পরে ২০১৯ সালে নবনির্বাচিত মোদী সরকারের মন্ত্রীসভায় যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিও লিখেছিলেন মোদী। শারীরিক অসুস্থতার জন্যই মন্ত্রীসভায় থাকতে চান না বলে জানিয়েছিসলেন তিনি। তবে দলীয় রাজনীতির বাইরে বেরিয়ে সহাস্য, বিচক্ষণ, দূরদর্শীতা সম্পন্ন এই রাজনীতিবিদ অমর হয়ে থাকবেন।