মনোনয়ন জমার জন্য মঙ্গলবারই ছিল শেষ দিন। আর এদিনই মনোনয়ন জমা দিলেন দিল্লির বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। যদিও সোমবারই মনোনয়ন জমা দেওয়ার কথা ছিল আম আদমি পার্টির প্রধানের। কিন্তু সেদিন পথসভা করতে গিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচন কমিশনের দফতরে পৌঁছতে পারনেনি তিনি। রাস্তা থেকেই ফিরতে হয়েছিল কেজরিওয়ালকে। 

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে বিধানসভা ভোট। শেষদিন দিল্লির জামনগর হাউসে মনোনয়ন জমা দিতে এসেছিলেন প্রায় ১০০ জন প্রার্থী। এর মধ্যে নির্দল প্রার্থীর সংখ্যাই ছিল কমপক্ষে ৫০ জন। 

আরও পড়ুন: রাজকীয় দায়িত্ব ছেড়ে নতুন জীবনের শুরু, কানাডায় স্ত্রী-পুত্রের কাছে পৌঁছলেন হ্যারি

মনোনয়ন জমার শেষ সময় ছিল বেলা তিনটে। ২টো বেজে ৩৬ মিনিটে কেজরি ট্যুইট করে জানান, "মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি। আমার টোকেন নম্বর ৪৫। মনোনয়ন জমা দিতে অনেকেই এসেছেন। গণতন্ত্রে এভাবে সকলকে অংশ নিতে দেখে ভাল লাগছে।"

নতুন দিল্লি থেকে বিধানসভা ভোটে লড়ছেন আরবিন্দ কেজরিওয়াল। এদিন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে আসেন তিনি। সোমবার বাল্মিকী মন্দির থেকে পথসভা শুরু করেছিলেন কেজরিওয়াল। কিন্তু রাস্তায় প্রচুর মানুষ তাঁকে সমথর্নের জন্য বেরিয়ে পড়ায় তিনি নির্দিষ্ট সময়ে মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি। 

 

 

এদিকে বিজেপি চক্রান্ত করে মনোনয়ন কেন্দ্রে  নির্দল প্রার্থীদের ভিড় লাগিয়েছিল বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে আপের পক্ষ থেকে।  মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে কেজরিওয়াল বলেন, আম আদমি পার্টিকে হারাতে জোটবদ্ধ হয়েছে বিরোধীরা। তবে পাঁচ বছরের উন্নয়নে ভর করেই ফের ক্ষমতায় ফেরা নিয়ে আশাবাদী দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। আগামী দিনে দিল্লিবাসীর উন্নয়নই পাখির চোখ তাঁর।

আরও পড়ুন: পাঁচতারা হোটেলের লবিতে হাল্কা মেজাজে ঘুরে বেড়াচ্ছে অতিথি বুনো হাতি, ভাইরাল হল ভিডিও

এদিকে কেজরির বিরুদ্ধে বিজেপি নয়াদিল্লি কেন্দ্র থেকে দাঁড় করিয়েছে দিল্লি যুবমোর্চার সভাপতি সুনীল যাদবকে। সোমবার গভীর রাতে গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। দিল্লির ভোটে এই প্রথমবার আরজেডি-র সঙ্গে জোট করে লড়ছে কংগ্রেস। অন্যদিকে নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতা করে বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধেনি শিরোমণি অকালি দল। 

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ৭০ আসনের দিল্লি বিধানসভায় ভোটগ্রহণ। গণনা হবে ১১ ফেব্রুয়ারি। ২০১৫ সালের নির্বাচনে ৭০টি আসনের মধ্যে ৬৭টি আসনে জয়ী হয়েছিল আম আদমি পার্টি। এবার কেজরিযাদু দিল্লিতে বজায় থাকে কিনা সেটাই দেখার। এদিকে দিল্লির ক্ষমতা দখল করতে মরিয়া গেরুয়া শিবিরও।