অবশেষে শনিবার ৩১ অগাস্ট অসমের চুড়ান্ত এনআরসি তালিকা প্রকাশ করল অসম সরকার। তাদের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী মোট ৩.২৯ কোটি মানুষ নাগরিকত্বের দাবি জানিয়েছিলেন, তারমধ্যে তালিকভুক্ত হতে পেরেছেন ৩.১১ কোটি। অর্থাৎ একদিনেই ১৯ লক্ষ মানুষ বেআইনি অনুপ্রবেশকারীর সন্দেহের তালিকায় চলে গেলেন। তবে তাদের এখনই বেআইনি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে গোষণা করা হবে না। নাগরিকত্ব প্রমাণে আরও বেশ কয়েকটি সুযোগ তারা পাবেন।

কারা বেআইনি অনুপ্রবেশকারী?

অসমে বসবাসকারী বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের অধিকাংশই বাংলাদেশের নাগরিক বলে অভিযোগ। এনআরসি বিধিতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তারিখটিকে নাগরিক হওয়ার চুড়ান্ত দিন হিসেবে ধরা হয়েচে। এই দিনের আগে অসমে জন্ম নিলে, বা তাদের বাবা-মা-এর জন্ম হলে তবেই এআরসি তালিকায় স্থান পাওয়া যাবে। এই সংক্রান্ত বৈধ নথি দেখাতে না পারলে তালিকা থেকে বাদ পড়তে হবে। সই সঙ্গে নাম থাকতে হবে ভোটার তালিকাতেও।

আরো পড়ুন - লড়েছেন কার্গিল যুদ্ধে, তারপরও বিদেশীই হয়ে গেলেন রাষ্ট্রপতি পদকপ্রাপ্ত সেনা অফিসার

আরো পড়ুন - অসমে এনআরসি-র চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, কোথায় কীভাবে দেখবেন আপনার নাম,জেনে নিন

আরো পড়ুন - লাগবে ৪০ হাজার থেকে লক্ষাধিক টাকা, এনআরসি-তে 'নাম তুলতে' ১২০দিন সময়সীমা

আরও পড়ুন - অসমে এনআরসি-র চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হল , নাম নেই ১৯ লক্ষ মানুষের

এরপরেও থাকবে সুযোগ, কীভাবে?

এনআরসি তালিকায় নাম না থাকলেই বেআইনি অনুপ্রবেশকারী তকমা পেতে হবে, এমনটা নয়। কারা অনুপ্রবেশকারীতা নির্ধারণ করা ক্ষমতা রয়েছে ফরেনার্স ট্রাইবুনালে। অসম জুড়ে মোট ৪০০টি এই ধরণের আদালত খোলা হচ্ছে, যেখানে শুধুমাত্র এনআরসি থেকে বাদ পড়াদের মামলার শুনানি হবে। সেখানেও নথি জমা দিয়ে নাগরিকত্ব প্রমাণের সুযোগ থাকছে। এছাড়া ফরেনার্স ট্রাইবুনালের রায়ের বিরুদ্ধেও হাইকোর্ট এমনকী সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ারও সুযোগ থাকছে তালিকাছুটদের।