Atiq Ahmed: প্রয়াত গ্যাংস্টার-রাজনীতিবিদ আতিক আহমেদের ছোট ছেলে আবান আহমেদ গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসিতে দ্রুতগতিতে থাকা গাড়িটি ডিভাইডারে ধাক্কা মারলে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

Atiq Ahmed: প্রয়াত গ্যাংস্টার-রাজনীতিবিদ আতিক আহমেদের ছোট ছেলে আবান আহমেদ গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার, পুলিশ জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসিতে তাদের দ্রুতগতির গাড়িটি একটি রোড ডিভাইডারে ধাক্কা মারে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনায়আবানের বন্ধু সোনুও মারা গিয়েছেন। ঝাঁসির সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ (SSP) জানিয়েছেন, দ্রুত গতিতে চলার সময় গাড়িটি রাস্তার মাঝখানে থাকা ডিভাইডারে সজোরে ধাক্কা মারে। আবান এবং তার সঙ্গী সোনু দুজনেই গুরুতরভাবে জখম হন এবং পরে তাদের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুনঃ আতিক আহমেদ খুনের সঙ্গে গভীর যোগ পাকিস্তানের ? চাঞ্চল্যকর তথ্য পেল পুলিশ

Scroll to load tweet…

Scroll to load tweet…

গাড়িতে থাকা বাকিদেরও গুরুতর আঘাত লেগেছে। তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গেছে, আবান জেলের বাইরে থেকেই পড়াশোনা করছিলেন। তিনি জেলে বন্দি থাকা তার ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন।

আতিক আহমেদের পরিবারের এখন কী অবস্থা? কে মৃত, কে জেলে আর কেই বা নিখোঁজ?

আরও পড়ুনঃ উত্তরপ্রদেশে পুলিশের সামনেই ২২ সেকেন্ডে ১৪ রাউন্ড গুলি, খতম গ্যাংস্টার আতিক আহমেদ

গ্যাংস্টার থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া আতিক আহমেদ ও তার ভাই আশরাফকে ২০২৩ সালের ১৫ এপ্রিল প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সাংবাদিক সেজে আসা আততায়ীরা এই কাণ্ড ঘটায়, যখন তাদের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তার ঠিক দু'দিন আগেই ঝাঁসিতে পুলিশের সঙ্গে এনকাউন্টারে আতিকের তৃতীয় ছেলে আসাদ ও তাঁর সঙ্গী গুলামের মৃত্যু হয়।

কে জেলে? আর কে পলাতক?

আগের রিপোর্ট অনুযায়ী, আতিকের দুই বড় ছেলে, মহম্মদ উমর এবং মহম্মদ আলি, দুজনেই আলাদা আলাদা অপরাধমূলক মামলায় জেলে বন্দি। উমর লখনউয়ের জেলে এবং আলি প্রয়াগরাজের নৈনি সেন্ট্রাল জেলে রয়েছেন। উমেশ পাল ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত তিন মহিলা তথা পারভিন, আয়েশা নুরি এবং জয়নব, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে নিখোঁজ। পুলিশ জানিয়েছে, ৯টি রাজ্যে ৫০০-র বেশি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েও তাদের খোঁজ মেলেনি। এই অভিযানে ATS এবং RAF টিমও সাহায্য করেছিল।

আতিক, আশরাফ বা আসাদের শেষকৃত্যেও এই তিনজন আসেননি। যদিও তখন কড়া নজরদারি ছিল। পুলিশ প্রথমে সন্দেহ করেছিল যে মহিলারা হয়ত দুবাইতে পালিয়ে গেছেন। কিন্তু পরে সেই সম্ভাবনা নাকচ করে দেওয়া হয়। সম্প্রতি কৌশাম্বী, ওড়িশা এবং দিল্লি থেকে তাদের বিষয়ে খবর এলেও, তল্লাশি চালিয়ে কোনও লাভ হয়নি।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।