প্রসঙ্গত বিতর্কের শুরু গত শুক্রবার। এই দিনই টাইম ম্যাগাজিনের সাম্প্রতিক প্রচ্ছদে উঠে এসেছে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মুখ। তারই সঙ্গে রাখা রয়েছে একটি উল্লেখযোগ্য শিরোলেখ। 

"বোঝাই যাচ্ছে এই অতীশ তাসির লোকটি কংগ্রেসের মুখপাত্র আর টাইম ম্যাগাজিনও তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে বামেদের প্রচারপত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। "

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

-এই সুরেই টাইম ম্যাগাজিনকে বিঁধছেন বিজেপির সমর্থকরা। শুধু তাই নয়, দেখা যাচ্ছে অতীশ তাসিরের উইকিপিডিয়ার পেজটিকে বহুবার সম্পাদনা করা হয়েছে ১০ মে। উইকিপিডিয়ায় সম্পাদন করা হয়েছে তার 'কেরিয়ার' অংশটিও। সেখানে তাঁকে কংগ্রেসের মুখপাত্র বলে দাবি করা হয়েছে। আপাতত তার উইকি পেজটি লক করা রয়েছে, অর্থাৎ তা আর কেউ সম্পাদনা করতে পারবে না। 

প্রসঙ্গত বিতর্কের শুরু গত শুক্রবার। এই দিনই টাইম ম্যাগাজিনের সাম্প্রতিক প্রচ্ছদে উঠে এসেছে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মুখ। তারই সঙ্গে রাখা রয়েছে একটি উল্লেখযোগ্য শিরোলেখ। সেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে 'ডিভাইডার ইন চিফ' (মুখ্য বিচ্ছিনতাবাদী) আখ্যা দেওয়া হয়েছে। সংখ্যাটির প্রচ্ছদকাহিনির শিরোনাম- 'বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র কি নরেন্দ্র মোদীর অধীনস্তই থাকবে আগামী পাঁচ বছর?' লেখক অতীশ তাসিরের স্পষ্ট তর্ক, হিন্দুত্ববাদের রাজনীতি ভারতবর্ষকে নিয়ে যাচ্ছে।
এই প্রতিবেদনে জহরলাল নেহেরুর ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের ধারণার সঙ্গে ভারতের বর্তমান অবস্থার তুলনা করা হয়েছে। লেখকের দাবি, 'হিন্দু মুসলিম সৌভ্রাতৃত্বের বাতাবরণ রক্ষার কোনও সদিচ্ছাই বর্তমান সরকারের নেই।' শুধু তাই নয় টেনে আনা হয়েছে গুজরাট দাঙ্গার প্রসঙ্গও। খুব সহজ ভাবে বললে প্রতিবেদকের দাবি, বর্তমান ভারতে হিন্দু মুসলিমের সম্পর্ক বৈরিতার। তার প্রধান কারণ দেশের প্রধানমন্ত্রী হিন্দুত্ববাদী। 

এই সেই টুইট

Scroll to load tweet…

প্রতিবেদনটি প্রকাশ হওয়ার পরেই শোরগোল পড়ে যায় বিশ্বজুড়ে। প্রসঙ্গত টাইম ম্যাগাজিন এই প্রথম নয়, অতীতেও নরেন্দ্র মোদীকে প্রচ্ছদকাহিনি হিসেবে রেখেছে দু'বার। একবার তিনি ক্ষমতায় আসার পরে। একবার ক্ষমতায় আসার আগে।

উল্লেখ্য অতীতেও অতীশ তাসিরের লেখাপত্র নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি।ম্যানহাটন পত্রিকায় তাঁর লেখা গ্রাউন্ড জিরো মস্ক সেই সময় সারা পৃথিবীতে আলোড়ন তুলেছিল। অতীশ কলম ধরেছিলেন নিজের বাবার গুপ্তহত্যা এবং পাকিস্তান সরকারের দায় নিয়ে। তাঁর কলম কথা বলে উঠেছিল মার্কিন সেনা লাদেনকে পাকিস্তানে পাকড়াও করার পরেও। জঙ্গি মদতের জন্য পাকিস্তানকে এক হাত নেন তিনি।