অযোধ্যায় রামমন্দিরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের অনুষ্ঠানেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা ভোলেননি। এদিন প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আবারও মাস্ক আর নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন। এই অনুষ্ঠানের মূল অতিথি ছিলেন তিনি। 

প্রধান অতিথি নরেন্দ্র মোদীর ভাষণের প্রথম অংশেই ছিল করোনা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার কথা। তিনি হিন্দিতে বলেন 'দো গজ দুরি, মাস্ক জরুরি'-- যার অর্থ হল করোনভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে গুরুত্বপূর্ণ হল দুই গজ দূরত্ব বজায় রাখা আর মাস্কের ব্যবহার করা। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও একটি সাদা মাস্ক পরে মূল অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। স্বভাবত তিনি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে কাপড়ই ব্যবহার করে থাকেন। 

ভূমি পুজোর অনুষ্ঠানে রাম মন্দিরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন হয় তাঁরই হাতে। তিনি জয় শ্রীরাম ধ্বনী তুলেই তাঁর বক্তব্য শুরু করেন। বলেন বহু মানুষই দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছেন। এতদিনে শেষ হল তাঁদের প্রতীক্ষা। দীর্ঘদিন অস্থায়ী তাঁবুতে বসবাসকারি রামলালার জন্য একটি বিশাল মন্দির প্রতিষ্ঠা করা বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বাবরি মসজিদ থেকে রামমন্দির তৈরির ইতিহাস, স্বাধীনতার আগেই থেকেই শুরু হয়েছিল বিতর্ক 

রাম মন্দিরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানেও করোনা সংক্রান্ত স্বাস্থ্য বিধিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পুরো অনুষ্ঠানে নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য মাস্কের ব্যবহার ছিল বাধ্যতামূলক। 

অযোধ্যায় রামমন্দির আন্দোলনে ১০ প্রভাবশালী নেতা, যাঁদের ছাড়া সম্ভব হত না রাম জন্মভূমি আন্দোলন

উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধের জন্য অনেককেই আমন্ত্রণ জানান হয়নি। কিন্তু আগামী দিনে আযোধ্যাতে রামমন্দির উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে তাঁদের আমন্ত্রণ জানান হবে। সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত  ১৯৯০ সালে রাম মন্দির আন্দোলনের কথা স্মরণ করে লালকৃষ্ণ আদবানীর অবদানের কথা স্বীকার করেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে রাম মন্দির আন্দোলনের যোদ্ধাদের আহ্বান জানান হয়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

রাম মন্দির দেখতে কেমন হবে তৈরি হওয়ার পর, প্রস্তাবিত মন্দিরের ছবিগুলিতে চোখ রাখুন