আজই মসনদে বসতে চলেছেন মোদী। শুরু করতে চলেছেন তাঁর দ্বিতীয় ইনিংস। বৃহস্পতিবার সন্ধেয়  সপ্তদশ লোকসভায় অভিষেক। মোদী এই ঐতিহাসিক দিনে যাত্রা শুরু করলেন মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে।  শ্রদ্ধা নিবেদিত হল অটল বিহারী বাজপেয়ী এবং শহীদ জাওয়ানদের প্রতি। 

এদিন শুরুতেই রাজঘাটের মহাত্মা গান্ধী মেমোরিয়াল দর্শন করলেন নরেন্দ্র মোদী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অমিত শাহ, জেপি নাদ্দা, পীযূষ গোয়েল, গিরিরাজ সিংহ-এর মতো শীর্ষ নেতারা। সেই একই সাদা কুর্তা এবং চুড়িদার, অভিষেকের দিনেও মোদীর সাজসজ্জায় নেই কোনও বাড়তি আড়ম্বর।  ফুল হাতে অর্ঘ্য দিলেন সমস্ত নিহত স্বাধীনতা সংগ্রামীদের।
 

তারপর সেখান থেকে মোদী ছুটলেন সদেব অটল সমাধিতে। ভারতবর্ষের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ির মৃত্যুর পর গত বছর ১৬  ডিসেম্বর এখানে তাঁর নামে একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হয়েছিল। মোদীর সঙ্গে সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অমিত শাহও। 

ঝটিকা সফরে রইল ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালও। শহীদদের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা তর্পণ করেন নরেন্দ্র মোদী। তার সঙ্গে ছিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত,  নৌ সেনার মুখ্য সচিব সুনীল লম্বা এবং ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ার মার্শাল আর কে এস ভাদুড়িয়া। 

এদিন সন্ধ্যা সাতটায় রাষ্ট্রপতি ভবনের প্রাঙ্গণে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে সপ্তদশ মন্ত্রিসভার। গতবার সাড়ে তিন হাজার অব্যাহত উপস্থিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে। এবার থাকবেন সাড়ে সাত হাজার অতিথি। পিটিআই সূত্রে খবর, দিল্লী পুলিশ ইতিমধ্যে দস হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করেছে। এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য নরেন্দ্র মোদী এবং বিদেশি অভ্যাগতদের জন্য থাকছে দুই হাজার নিরাপত্তাকর্মী। 

আরও পড়ুনঃ
সৌজন্যের রাজনীতিতে আজও তাঁরা অবিচল, শপথ গ্রহণে থাকবেন সোনিয়া, রাহুল

মোদীর শপথ গ্রহণে উপস্থিত থাকবেন সমস্ত বিমসটেক সদস্যরা। একই সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন প্রায় ১৫টি বন্ধুরাষ্ট্রের প্রতিনিধি। থাকবেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়া জার্মানি এবং ব্রিটেনের অভ্যাগতরা।  থাকছেন ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী এবং কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধীও।  শেষ মুহূর্তে সরে দাঁড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।