মসনদে বসতে চলেছেন মোদী। সৌজন্যের বার্তা দিতেই এদিন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন ইউপিএ চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী এবং কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী।  তাঁদের সঙ্গে থাকবেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা গোলাম নবী আজাদ।  

নমোর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে গত বার (২০১৪ সালে) ডাকা হয়েছিল সাড়ে তিন হাজার অতিথিকে। এবার আসতে চলেছেন সাড়ে আট হাজার অতিথি। থাকবেন বিমস্টেক দেশগুলির প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশ, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, নেপাল, ভুটান থেকে আসছেন অভ্যাগতরা। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। সাজো সাজো রব গোটা রাষ্ট্রপতি ভবন জুড়ে। 

প্রায় পাঁচ দিন তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি।  কিন্তু সমস্ত মান অভিমান কে দূরে রেখেই নরেন্দ্র মোদীর শপথগ্রহণে যাবেন রাহুল গান্ধী।  

সৌজন্যে রক্ষার্থেই যাবেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামী, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও।  কিন্তু শেষ মুহূর্তে ইউটার্ন নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

আরও পড়ুনঃ
ঘোষণা করলেন আগাম বোনাস, সরকারী কর্মচারীদের মন ফেরাতে মরিয়া মমতা

গত বুধবার টুইটারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, "আমার পরিকল্পনা ছিল সাংবিধানিক নিমন্ত্রণ রক্ষা করার। কিন্তু শেষ এক ঘন্টায় দেখতে পাচ্ছি বিজেপি সংবাদমাধ্যমে দাবি করছে বাংলায় রাজনৈতিক নৈরাজ্যে ৫৪ জন বিজেপি কর্মী মারা গিয়েছে। এটা সম্পূর্ণ অনৈতিক। বাংলায় একটি রাজনৈতিক মৃত্যুও হয়নি। আমি নরেন্দ্র মোদীর দলের দাবিতে ক্ষুব্ধ। ফলে আমি আমার সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটেছি। কাল শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকছি না।" 

সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে বিরোধীদের বড় পরাজয় হয়েছে। কংগ্রেসের নিজেদের গড় মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানেও হার হয়েছে. সব থেকে বড় কথা আমেঠির মন পেতে ব্যর্থ হয়েছেন রাহুল গান্ধী। খুব স্বাভাবিক ভাবেই মন ভেঙে গিয়েছে তাঁর। দলের সমস্ত গুরুদায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন তিনি।  সেই নিয়ে বাদানুবাদ এখনও চলছে। তার মধ্যে সৌজন্য রক্ষার্থেই  ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী এবং তাঁর ছেলে রাহুল গান্ধী থাকছেন এই অনুষ্ঠানে।