Asianet News BanglaAsianet News Bangla

রামবিলাসের মৃত্যু একা করল চিরাগ পাসোয়ানকে, কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে রাজনৈতিক জীবন

  • রামবিলাস পাসোয়ানের মৃত্যুতে সমস্যায় চিরাগ পাসোয়ান
  • কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে তাঁর রাজনৈতিক জীবন 
  • বিজেপি কী সিদ্ধান্ত নেবে তারওপর অপেক্ষা করছে 
  • দলিত ভোট ব্যাঙ্কই ভরসা দিতে পারে চিরাগকে 
bihar election 2020 ram vilas paswan s death makes chirag s solo in vote fight bsm
Author
Kolkata, First Published Oct 9, 2020, 2:10 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

ভোট যুদ্ধের আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ানের মৃত্যু এলকা করে দিল তাঁর ছেলে চিরাগ পাসোয়ানকে। অনেক দিন ধরেই দলের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সবকিছু সাজিয়ে গুছিয়ে নেওয়ার জন্য বাবার পরামর্শ রীতিমত মূল্যবান ছিল তাঁর কাছে। আগামী ২৮ অক্টোবর বিহার বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ। তার মাত্র ১৮ দিন আগে দিল্লির হাসপাতালে মৃত্যু হয় প্রাক্তন কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রীর। যিনি জাতীয় তো বটেই কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও কিং মেকার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু ছেলেকে রাজনীতির কর্মযজ্ঞে প্রতিষ্ঠিত করার আগেই চলে গেলেন। 

বিহার বিধানসভা নির্বাচন চিরাগ পাসোয়ানের রাজনৈতিক জীবনে অগ্নিপরীক্ষার সামিল। কারণ বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে একাই লড়াল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিজেপির প্রার্থীদের বিরুদ্ধে তাঁর লোক জনশক্তি পার্টি প্রার্থী না দিলেও নীতিশ কুমারের বিরুদ্ধে সক্রিয় এই দল। আচমকাই রামবিলাস পায়োসানের মৃত্যুকে কিছুটা হলেও সমস্যায় পড়বেন চিরাগ পাসোয়ান। কারণ লোক জনশক্তি পার্টিতে বর্তমানে শক্তিশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বর খুবই অভাব। ২০১৫ সালের বিহার নির্বাচনে চিরাগ পাসোয়ানের জনসভাগুলিতে ৫০০-১০০০-এর বেশি মানুষ আসেননি। কিন্তু উল্টো তাঁর বাবা রামবিলাস পাসোয়ান ১৯৯০ সাল থেকেই বিহারের রাজনীতিতে রীতিমত জনপ্রিয় ছিলেন। দলত কণ্ঠ নেতা হিসেবেই তাঁকে চিনত গোটা দেশ। কিন্তু রামবিলাস পুত্রের মধ্যেই সেই তেজ নেই বলেই মনে করেছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। আর তাঁর প্রতিপক্ষ শিবিরে রয়েছে নীতিশ কুমার, সুশীল মোদীর মত পোড়খাওয়া রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। 

bihar election 2020 ram vilas paswan s death makes chirag s solo in vote fight bsm

এই মুহূর্তে চিরাগের কাছে শাপে বর হতে পারে দলিত সয়ানুভূতি। কারণ রাজ্য ও কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে রামবিলাসের কোনও শত্রু ছিল না। উল্টো ২০১৫ সালে লালুর হাত ধরে ক্ষমতায় আসার পর তাঁর সঙ্গে ত্যাগ করে নীতিশ আবার ফিরে গিয়েছিলেন পুরনো বন্ধু বিজেপির কাছে। যা নিয়ে এখনও তাঁর সমালোচনায় সরব বহু মানুষ। কিছুটা বিতশ্রদ্ধ বিহারের দলিত ভোটব্যাঙ্ক। সেই ভোটব্যাঙ্ককেই কাজে লাগাতে পারেন চিরাগ। 

তবে বিজেপি চিরাগ পাসোয়ান সম্পর্কে কী কৌশল অবলম্বন করে তার ওপরেও অনেকটা নির্ভার করছে তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ। কারণ চিরাগ পাসোয়ান বিহার নির্বাচনে একলা চলার সিদ্ধান্ত নেওয়া তাঁরে জেপি নাড্ডা একটা চিঠি লিখেছিলেন। সেখানে তিনি ফিরে আসার অনুরোধও জানিয়েছিলেন বলে সূত্রের খবর। বিহারের বিজেপি নেতা সুশীল মোদীও জানিয়েছিলেন চিরাগ তাঁদের সঙ্গেই রয়েছেন। অনেকটা এই সুর নীতিশের কণ্ঠে। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনও মুখ খেলেননি চিরাগ। পাল্ট প্রতিপক্ষ শিবিরের দাবি রামবিলাস পাসোয়ান যদি অসুস্থ না হতেন আর রাজনীতিতে সক্রিয় থাকতে পারতেন তাহলে এই পরিস্থিতি তৈরি হত না। এখন দেখার চিরাগকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় তাঁর বাবার আসনটি দেওয়া হয় কিনা। 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios