মোদী সরকারের সাত বছর পূরণ  করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে উদ্যোগ  একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ বিজেপির  অভিনন্দন জানিয়েছেন দলের প্রধান জেপি নাড্ডা

কোভিড মহামারির কারণে প্রায় নিঃশব্দেই নরেন্দ্র মোদী সরকারির সপ্তম বার্ষিকী উদযাপন করছে বিজেপি। রবিবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি করোনাভাইরাস সংক্রান্ত ত্রাণ বন্টনের সূচনা করেন। মহামারিকালে দেশের মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিয়েই সপ্তম বছররে অনুষ্ঠান পালনের উদ্যোগ নিয়েছে দেশের শাসক দল। মহামারিকালে প্রায় এক লক্ষ বিজেপি নেতা দেশের ১ লক্ষ গ্রামসেবার কাজে নিজেকে নিযুক্ত করবেন। গোটা আনুষ্ঠানকেই সেবা দিবস নামে চিহ্নিত করেছে বিজেপি। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred
Scroll to load tweet…


সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা বলেন মোদীজিকে তাঁর সরকারের সাত বছর পূর্ণ হওয়ার জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি শুভেচ্ছা জানিয়েছে এনডিএ-কেও। নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে এই দিনটি সেবা দিবস উপলক্ষ্যে পালন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সেই সময়ই তিনি জানিয়েছেন দেশের এক লক্ষ গ্রামে বিজেপি কর্মীরা সেবা প্রদান করবেন। আগেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এদিন বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির দুটি গ্রামে গিয়ে কাজ করতে হবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের। যাঁরা শারীরিকভাবে উপস্থিত হতে পারবেন না তাঁদের ভিডিও কনফারেন্সিংএর মাধ্যমে কাজ কাজের নেতৃত্ব দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। গ্রামের বাসিন্দাদের কোভিড সংক্রান্ত সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি শুকনো খাবার, স্যানিটাইজার, ফেস মাস্ক, অক্সিমিটার বিলি করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

দেশের এই কোভিড সংকটকালে আগে থেকে ঠিক হয়েছিল মোদী সরকারের সাত বছর পূর্তী অনুষ্ঠান খুব একটা ধুমধামের সঙ্গে পালন করা হবে না। দলীয় নেতৃত্বকে জনগণের পাশে দাঁড়াতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেইমত, গত সপ্তাহেই বিজেপি প্রধান জেপি নাড্ডা দলের ইউনগুলিতে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন, দলের কর্মীদের উচিৎ তাঁরা সমাজ সেবায় মনোনিবেশ করুক। বিজেপিকে দেশের শাসনক্ষমতার দায়িত্ব দেওয়ার জন্যও তিনি জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। করোনা মহামারি মোকাবিলায় ইতিমধ্যই বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি মোদী সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিল। বর্তমান ভারতের কাছে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় তরঙ্গ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ক্ষত মেরামতিতে তাই বিজেপি নেতৃত্ব মোদী সরকারের সাত বছর পূর্তিকেই বেছে নিয়েছেন বলেও মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।