সমাজবাদী পার্টির বরখাস্ত নেতা অমর সিংয়ের মৃত্যুর পর উত্তরপ্রদেশে খালি হয়েছে রাজ্যসভার একটি আসন। সেখানেই উপনির্বাচনের জন্য নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করে দিল ক্ষমতায় থাকা ভারতীয় জনতা পার্টি। যোগী রাজ্যে এই উপনির্বাচনে বিজেপির তরফে প্রার্থী করা হয়েছে সৈয়দ জাফর ইসলামকে। বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিংয়ের জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি সৈয়দ জাফর ইসলামের নামে উত্তর প্রদেশের আসন্ন রাজ্যসভা উপনির্বাচনের জন্য অনুমোদন দিয়েছে।

গোবলয়ের সংবাদমাধ্যমের কাছে জাফর ইসলাম অতি পরিচিত মুখ। পদ্ম শিবিরের হয়ে টিভি চ্যানেলগুলির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁকে নিয়মিত গলা ফাঁটাতেও দেখা যায়। তবে রাজনীতিতে আসার আগে বিদেশি ব্যাঙ্কের আধিকারিক পদে ছিলেন তিনি। শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েই রাজনীতিতে আসেন এই তরুণ ব্যাঙ্কার। যোগ দেন গেরুয়া শিবিরে। মোদীর সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্কও রয়েছে।

আরও পড়ুন: সংসদ ভবনের সামনে সন্দেহভাজন কাশ্মীরি যুবক, কাগজে লেখা কোডের সঙ্গে উদ্ধার ভিন্ন নামের পরিচয়পত্র 

তবে জাফর ইসলাম কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে চর্চায় আসেন কয়েক মাস আগে, যখন মধ্যপ্রদেশে বিজেপির অপারেশন কমল সফল হয়। গত মার্চ মাসে মার্চ মাসে মাধব রাও সিন্ধিয়ার পুত্র তথা কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন। তাঁর সমর্থক বিধায়কদের সাথে নিয়ে জ্যোতিরাদিত্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। শোনা যায় জ্যোতিরাদিত্যকে গেরুয়া শিবিরে আনতে মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন এই সোপ্রফাইল মুসলিম নেতাই। 

আরও পড়ুন: নতুন রেকর্ড গড়ে দেশে একদিনে আক্রান্ত এবার ৭৫ হাজারের বেশি, মোট সংক্রমণ ৩৩ লক্ষ ছাড়াল

উত্তরপ্রদেশে রাজ্যসভার উপনির্বাচনের জন্য ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। এবং সংখ্যা গরিষ্ঠতার হিসাবে বিজেপির পক্ষে জয় প্রায় নিশ্চিত। গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে বরাবরই অভিযোগ উঠেছে সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কানি দেওয়ার। যদিও সাম্প্রতিক কালে সেই অভিযোগ উড়িয়ে সংখ্যালঘুদের মন পেতে তৎপর হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। তার মধ্যে সামনেই উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। এবার যোগীরাজ্য থেকে তাই ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে রাজ্যসভায় সংখ্যালঘু প্রতিনিধিকেই বেছে নিল পদ্ম শিবির।