মাত্র ১৫ মাসের মধ্যেই নিজেগের হারিয়ে যাওয়া গড় উদ্ধার করতে সক্ষম হল বিজেপি। সোমবার মধ্যরাতেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন বিজেপি নেতা শিবরাজ সিং চৌহান। চারবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে রেকর্ড গড়লেন চৌহান।  আর তারপরই মধ্য প্রদেশ  বিধাসনভায় সহজেই জয় হাসিল করে নিলেন আস্থা ভোটে। ২৩০ আসনের মধ্য প্রদেশ বিধানসভায় বিজেপির পক্ষে রয়েছে ১০৭ জন বিধায়কের সমর্থন। অন্যদিকে ২২ বিধায়ক জল ছাড়ায় কংগ্রেসের পক্ষে সংর্থন রয়েছে মাত্র ৯২ জনের। এই অবস্থায় আস্থাভোট বয়কট করে কংগ্রেস। 

তবে এদিন আস্থা ভোটে বিজেপির পক্ষে ভোট দেয় এতদিন কংগ্রেসের সঙ্গে থাকা দুই বিএসপি ও নির্দল বিধায়ক এবং এসপি-র এক জন বিধায়কও বিজেপির পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এই অবস্থায় মধ্য প্রদেশ বিধানসভায় রীতিমত কোনঠাসা কংগ্রেস। 

আরও পড়ুনঃ করোনাভাইরাস ও লক ডাউনকে হাতিয়ার করেই খালি হল শাহিনবাগ, ১০১ দিন পর উঠল অবস্থান.

আরও পড়ুনঃ 'অমাবস্যায় ভাইরাস মারতে কাঁসর-ঘণ্টা বাজান', অমিতাভের মন্তব্য ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

আরও পড়ুনঃ বাবার পর ছেলে-ও, আটমাস পর অবশেষে মুক্ত ওমর আবদুল্লা

সোমবার রাতে মধ্য প্রদেশ বিধানসভায় জরুরী অধিবেশন ডাকা হয়। আগামী ২৭ মার্চ পর্যন্ত বিধানসভার অধিবেশন স্থগিত রাখা হয়েছে। ২৭ মার্চ নতুন বিজেপি সরকার আগামী অর্থবর্ষের জন্য ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ করবে। 

জ্যোতিরাদিত্য দল বদল করে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়ার পরই কংগ্রেস শিবিরে ভাঙন দেখা দেয়। জ্যোতিরাদিত্যের পরপরই দল ছাড়ানের তাঁর অনুগামী ২২ বিধায়ক। ২২ বিধায়ককে নিয়ে টানপোড়েন শুরু হয় বিজেপি আর কংগ্রেসের মধ্যে। বিজেপির বিরুদ্ধে বিধায়ক অপহরণের অভিযোগ তোলে কংগ্রেস। পাল্ট কংগ্রেস বিধায়কদের ভয় দেখাচ্ছে বসে সরব হয় বিজেপি। ২২ বিধায়ককে বেশ কয়েকদিন রাখা হয় বিজেপি শাসিত কর্ণাটকে।  রীতিমত সংকটে পড়ে যান কমল নাথ। এই পরিস্থিতিতে কমল নাথ সরকারকে বিধানসভায় শক্তি পরীক্ষার জন্য আহ্বান জানায় বিজেপি। কিন্তু আস্থা ভোটে যেতে রাজি হয়নি কংগ্রেস। মধ্য প্রদেশের রাজনৈতিক সংকট গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের আস্থা ভোটের নির্দেশ দিলে তারপরই পদত্যাগ করেন কমল নাথ। কমল নাথ সরে যাওয়ায় স্বপ্ন পূরণের সব বাধায়ই সরে যায় শিবরাজ সিং-এর সামনে থেকে। ১৫ মাস পরই আবারও মধ্য প্রদেশের মসনদে বসেন তিনি। আপাতত সংকটমুক্ত মধ্য প্রদেশ বিধানসভা।