ফের জম্মু ও কাশ্মীরে হামলা গেরুয়া শিবিরে। রবিবার সকালে বুদগাম জেলার ওমপুরার কাছে মর্নিং ওয়াক করতে গিয়ে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীদের হাতে গুলিবিদ্ধ হলেন  ভারতীয় জনতা পার্টির জেলা সভাপতি আবদুল হামিদ নজর। তাঁকে শ্রী মহারাজা হরি সিং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গত পাঁচ দিনে উপত্যকায় বিজেপি নেতা-কর্মীদের উপর এই নিয়ে তৃতীয় আক্রমণের ঘটনা ঘটল। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কাশ্মীরের কাজিগুন্ড এলাকায় এক পঞ্চায়েত প্রধান-কে হত্যা করেছিল জঙ্গিরা। বাড়ির বাইরেই আক্রান্ত হয়েছিলেন পঞ্চায়েত প্রধান সাজ্জাদ আহমদ। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়েও বাঁচানো যায়নি। তার একদিন আগেই সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন ওই জেলারই আরেক পঞ্চায়েত প্রধান আরিফ আহমদ শাহ।

পরপর এই হামলার ধাক্কায় এখন উপত্যকার বিজেপি কর্মীরা রীতিমতো আতঙ্কিত। দলে দলে পঞ্চায়েত সদস্য ও অন্যান্য কর্নীরা গেরুয়া শিবির ছাড়তে শুরু করেছেন। তাঁরা বলছেন, প্রশাসন তাঁদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিতে পারছে না। এই অবস্থায় পরিবার নিয়ে কোনও চাপ ছাড়া সুখে জীবনযাপন করাই ভালো বলে মনে করছেন তাঁরা। এদিননের হামলার পর অবশ্য পদত্যাগ করেছেন, কংগ্রেসের দুই পঞ্চায়েত সদস্যও।

জুলাই মাসেই বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি ওয়াসিম বারি ও তাঁর বাবা এবং ভাইককে, তাঁদের পারিবারিক দোকানের ভিতরেই একেবারে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। ওই বিজেপি নেতার ১০ ​​সদস্যের একটি পুলিশি সুরক্ষাদলও ছিল। হামলা হওয়ার সময় তারা কিন্তু বারির সঙ্গে ছিলেন না। এর জন্য তাদের সবাইকে সাসপেন্ড করে গ্রেফতার করা হয়েছিল।