কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের মতে, এটি ছাড়াও, একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ার সময় বিষয় পছন্দ সীমাবদ্ধ থাকবে না। শিক্ষার্থীদের কমপক্ষে দুটি ভাষা নিয়ে পড়তে হবে। এই ভাষাগুলির মধ্যে একটি ভারতীয় ভাষা হওয়া উচিত।

বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক। এখন বছরে দুবার বোর্ড পরীক্ষা নেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের মতে, এখন বোর্ড পরীক্ষার উদ্দেশ্য হবে শিক্ষার্থীদের বিষয়গুলি বোঝার মূল্যায়ন করা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন এই পদ্ধতি কোচিং ও মুখস্থ করার প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দেবে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের মতে, এটি ছাড়াও, একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ার সময় বিষয় পছন্দ সীমাবদ্ধ থাকবে না। শিক্ষার্থীদের কমপক্ষে দুটি ভাষা নিয়ে পড়তে হবে। এই ভাষাগুলির মধ্যে একটি ভারতীয় ভাষা হওয়া উচিত।

স্ট্রীম বেছে নেওয়ার সীমাবদ্ধতাও শেষ

শিক্ষা মন্ত্রকের করা বড় পরিবর্তনের আওতায়, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এখন স্ট্রিম বেছে নেওয়ার বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্তি পেয়েছে। অর্থাৎ এখন শিক্ষার্থীদের পছন্দের বিষয় নির্বাচনের স্বাধীনতা থাকবে। বর্তমানে, সমস্ত বোর্ডের পাঠ্যক্রম অনুসারে, শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, বাণিজ্য, কলা, ভোকেশনাল ইত্যাদি থেকে যেকোনো একটি স্ট্রিম বেছে নেয়।

কস্তুরিরঙ্গনের নির্দেশনায় স্টিয়ারিং কমিটি নতুন জাতীয় শিক্ষা নীতির অধীনে পাঠ্যক্রম কাঠামোর উপর তাদের প্রতিবেদন তৈরি করেছে। কস্তুরিরঙ্গন কমিটি তাদের রিপোর্ট এবং পাঠ্যক্রম কাঠামো সরকারের কাছে জমা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক বুধবার জাতীয় পাঠ্যক্রম কাঠামো নিয়ে একটি যৌথ এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডেকেছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেছেন যে শিক্ষা মন্ত্রক এটি শুধুমাত্র পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য এনসিইআরটি-কে দিয়েছে।

Scroll to load tweet…

এনসিইআরটি স্কুল শিক্ষার জন্য পাঠ্যপুস্তক তৈরি করে। এনসিইআরটি পাঠ্যক্রম নিয়ে দুটি কমিটি গঠন করেছে। এর মধ্যে জাতীয় পরিদর্শন কমিটি এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেছেন যে আমরা আশা করি যে এই দুটি কমিটিই ২১ শতকের চাহিদা অনুযায়ী এবং মূল ভারতীয় চিন্তাধারার ভিত্তিতে পাঠ্যক্রম তৈরি করবে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ভবিষ্যৎ পাঠদান ও শেখার উপকরণ প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে। বুধবার এ সংক্রান্ত প্রথম ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা নিশ্চিত যে নতুন পাঠ্যপুস্তক সব প্রয়োজনীয়তা পূরণ করবে। বিশেষ করে যখন বিশ্ব ভারতের কাছ থেকে অনেক কিছু আশা করছে, যখন প্রধানমন্ত্রী অমৃত কালের স্বপ্ন দেখিয়েছেন, এমন সময়ে নতুন পাঠ্যপুস্তক প্রয়োজনীয়তা পূরণ করবে। স্কুলের পাঠ্য বই তৈরির জন্য সম্প্রতি বিশেষজ্ঞদের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অনেক শিক্ষাবিদ, অর্থনীতিবিদ এবং বিশেষজ্ঞ এই 'ন্যাশনাল কারিকুলাম অ্যান্ড টিচিং লার্নিং মেটেরিয়াল কমিটি'-তে অন্তর্ভুক্ত।

তাদের মধ্যে রয়েছেন ইনফোসিস ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন সুধা মূর্তি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান বিবেক দেবরয়, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সঞ্জীব সান্যাল, বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী ও গায়ক শঙ্কর মহাদেবন। ১৯ সদস্যের এই কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে মহেশ চন্দ্র পন্তকে। তিনি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশন অ্যান্ড প্ল্যানিং ইন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের চ্যান্সেলর। কমিটির সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মঞ্জুল ভার্গবকে। কমিটিতে রয়েছেন ভারতীয় ভাষা কমিটির চেয়ারম্যান চামু কৃষ্ণ শাস্ত্রীও। 'ন্যাশনাল কারিকুলাম অ্যান্ড টিচিং লার্নিং মেটেরিয়াল কমিটি' হবে একটি স্বায়ত্তশাসিত কমিটি এবং এর কাজ হল তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের জন্য সিলেবাস তৈরি করা।