মুম্বই পুলিশের তদন্তে এখনও পর্যন্ত কোনও অপরাধের গন্ধ পাওয়া যায়নি। একনও অবধি সুশান্ত সিং রাজপুত আত্মহত্যা করেছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। কিন্তু, তাঁর পরিবার পরিজন, শৈশবের চেনাসোনারা কেউই মেনে নিতে পারছেন না ৩৪ বছরের টাটকা যুবক আত্মহত্যা করেছেন। এবার তাৎ আত্মহত্যার ঘটনার পিছনে 'গভীর ষড়যন্ত্র' রয়েছে বলে দাবি করলেন সুশান্ত সিং-এর নিজ রাজ্য বিহারের প্রাক্তন সাংসদ তথা জন অধিকার পার্টির প্রধান পাপ্পু যাদব। অভিনেতার মৃত্যু বিহারের একটি বড় ক্ষতি বলে জানিয়েছেন তিনি। সেইসঙ্গে এই ঘটনার  সিবিআই তদন্তের দাবি করেছেন।

এদিন পাপ্পু যাদব বলেন, যে কোনও মূল্যে এই মৃত্যুর সিবিআই তদন্ত করা উচিত। সুশান্ত-কে আমি যতটুকু জানি তার পরিবারের একাংশ পূর্ণিয়া জেলার অন্য অংশ চৌথামের। তিনি একজন কর্ম যোগী ছিলেন। একেবারে নিজ থেকে শুরু করে তিনি সাফল্যের শিখরে পৌঁছে বিহারকে গর্বিক করেছিলেন। পাপ্পু যাদব আরও জানান, তাঁর রঞ্জি ক্রিকেটার ছেলে তাঁকে সুশান্তের মৃত্যুর খবর দিয়েছিলেন। ছেলে তাঁকে প্রশ্ন করেন, এটা কীকরে হতে পারে?

তিনি এই বিষয়টি দেখার জন্য ভারত সরকারকে অনুরোধ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন এর পিছনে কোনও গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। সুশান্ত সিং আত্মহত্যা করার মতো লোক নন। এটা অবিশ্বাস্য।

জন অধিকার পার্টির প্রধান এদিন সুশান্ত সিং রাজপুতের পাটনার বাড়িতে গিয়ে তাঁর বাবার সঙ্গে দেখাও করেন। পুত্রশোকাহত বাবাকে স্বান্ত্বনা জানান। পরে তিনি বলেন, 'সুশান্ত সিং-এর বাবা সব হারিয়েছেন। তাঁর ছেলে মৃত্যু বিহারের জন্য এক বিরাট ক্ষতি'।

রবিবার সকালেই আগের দিন বলিউড অভিনেতাকে তাঁর মুম্বইয়ের বান্দ্রার বাড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাঁর পরিচারকরা মুম্বই পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে ঝুলন্ত অবস্তায় তাঁর দেহ আবিষ্কার করে। তাঁরা প্রাথমিক তদন্তে এই মৃত্য়ুকে আত্মহত্যা বলেই রায় দিয়েছে। তবে অভিনেতার আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি। কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। তার থেকেই জল্পনা বাড়ছে।