সপ্তদশ লোকসভার বাজেট উঠে এল জাতীয় শিক্ষানীতির প্রসঙ্গ। শিক্ষার পরিকাঠামো ও মান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর অর্থমন্ত্রী শিক্ষা সংস্কারে কল্পতরুর ভূমিকায় নানা ঘোষণা করল।

দেখে নেওয়া যাক শিক্ষা নীতিতে কী কী বদল আনতে চাইছে সরকার-

  • একটি ন্যাশানাল রিসার্চ ফাউন্ডেশান তৈরি হবে। 
  • এর মধ্যে দিয়েই রিসার্চ গ্রান্ট দেওয়া হবে। 
  • জাতীয় পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্ব বুঝে অনুযায়ী রিসার্চ গ্রাণ্ট দেওয়া হবে।
  • জালিয়াতি আটকাতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
  • সব রিসার্চ গ্রাণ্টই এনআরএফ-এর মধ্যে দিয়ে হবে। 
  • আইআইটি আইআইএসসি যৌথভাবে দেশের প্রযুক্তি গবেষণায় নজর দেবে। 
  • নির্মলার দাবি অতীতে কোনও ভারতীয় বিশ্ববিদ্য়ালয় বিশ্বের দুশোটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ছিল না। তিনিই স্মরণ করিয়ে দেন, এখন তিনটি সংস্থা এই প্রথম দুশোয় রয়েছে, দুইটি আইআইটি এবং আইআইএসসি ব্যাঙ্গালোর রয়েছে এই তালিকায়।

এরপরেই নির্মলা সীতারামন বলেন, এই বছর শিক্ষাক্ষেত্রে পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্যে ৪০০০ কোটি টাকা আমরা খরচ করব বলে স্থির করছি। গত বারের তুলনায় তিনগুণ বেশি খরচ হবে। এছাড়াও তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিগুলির সংস্কার হবে স্বায়ত্তশাসন বাড়ানোর জন্যে। 
আরও পড়ুনঃ গান্ধীর সার্ধশতবর্ষ, বাজেটে গ্রামীণ ভারতের ক্ষমতায়ণে নজর অর্থমন্ত্রীর
সব ঘরে জল, জল সংকটের মধ্যেই বাজেটে বড় ঘোষণা নির্মলার

এই ঘোষণার থেকেই উঠছে অন্য প্রশ্ন। ভোটের আগেই সংবাদমাধ্যগুলিতে বারবার শিরোনাম হচ্ছিল, বিশ্ববিদ্যলয়গুলিতে জাতীয় স্বার্থ বিষয়ক গবেষণায় জোর দেওয়া হয়েছিল। কেরল সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয় রীতিমতো সার্কুলার জারি করে জানায়, একমাত্র তারাই গবেষণার  সুযোগ পাবে যারা জাতীয় স্বার্থে গবেষণা করবে। এর প্রতিবাদে মুখর হয়েছিলেন ছাত্র শিক্ষক অনেকেই। এদিন অর্থমন্ত্রীর ঘোষণায় স্পষ্টই যখন বলা হচ্ছে সমস্ত রিসার্চ অনুদানকেই নিয়ে আসা হবে একটি জাতীয় সংস্থার আওতায় তখন প্রশ্ন উঠছে, মৌলিকতা, নানা স্বর রুদ্ধ হবে না তো নতুন শিক্ষাবর্ষে?