রাম মন্দিরের অনুদানের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই জেরা করা হয়েছে ট্রাস্টের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইয়ের বয়ান। তালিকায় রয়েছে আরও অনেকে।
রাম মন্দিরের অনুদানের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে তদন্তে নামল পুলিশ। সোমবার এই মামলায় শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইয়ের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সূত্র মারফত আরও জানা গিয়েছে, চম্পত রাইকে জেরা করা হলেও, তদন্তের প্রয়োজনে ট্রাস্টের অন্য বরিষ্ঠ অধিকর্তা, যেমন অনিল মিশ্রর বয়ানও পরে রেকর্ড করা হতে পারে।

এর আগে রবিবার, রাম মন্দিরের অনুদান নয়ছয়ের অভিযোগে তদন্ত আরও জোরদার হয়। পুলিশ এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত অবিনাশ শুক্লার অযোধ্যার বাড়িতে পৌঁছয়। এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে অভিযুক্তের ভাই অভিষেক শুক্লা বলেন, মন্দিরের তহবিলের নয়ছয়ের সঙ্গে জড়িত কাউকে পরিবার সমর্থন করবে না।
এর আগে, শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট একটি আনুষ্ঠানিক প্রেস বিবৃতিতে জানায়, "বিগত কয়েকদিন ধরে শ্রী রাম মন্দির (অযোধ্যা) নিয়ে যে সব ঘটনা সামনে এসেছে, তাতে আমরা স্তম্ভিত, আহত এবং গভীরভাবে দুঃখিত। আমরা একটি নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে এবং ভক্তদের আশ্বস্ত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"
ট্রাস্ট আরও জানায় যে তারা শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই এবং ট্রাস্টি অনিল মিশ্রর পদত্যাগপত্র পেয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, "সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই এবং ট্রাস্টি অনিল মিশ্রর পদত্যাগপত্র পাওয়া গিয়েছে। ট্রাস্ট তার আগামী বৈঠকে এই বিষয়ে আলোচনা করবে।"
ভক্তদের আশ্বস্ত করে ট্রাস্ট জানিয়েছে, ভগবান রামকে নিবেদন করার জন্য ভক্তরা ব্যক্তিগতভাবে যে সমস্ত মূল্যবান জিনিস, যেমন রুপোর ইট এবং গয়না, দিয়েছিলেন, সেগুলি সবই সুরক্ষিত এবং তার সঠিক হিসাব রয়েছে। ট্রাস্ট আরও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে বলেছে, "অন্ধকার একদিন কেটে যাবে এবং সত্যের আলো জ্বলবে। ভগবান শ্রী রামের মহিমার নিরবচ্ছিন্ন ধারা চিরকাল চলতে থাকবে।"


