ল্যান্ডার বিক্রমের সঙ্গে চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ২.১ কিলোমিটার উচ্চতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে যোগাযোগ। গত ৪৮ দিন ধরে সবকিছুই হয়েছে পরিকল্পনামাফিক। কিন্তু একেবারে শেষ মুহূর্তে ঘটে গিয়েছে বড় সড় বিপর্যয়। এই অবস্থায় যখন ইসরোর তাবড় বিজ্ঞানীদের মনোবল তলানিতে, তখন যেন প্রধানমন্ত্রী থেকে পরিবারের মাথা হয়ে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রদানমন্ত্রীকে প্রথমেই এসে খবরটা দিয়েছিলেন ইসরোর চেয়ারম্যান কে শিবান। তারপর তাঁকে ঘিরে সিনিয়র বিজ্ঞানীরা। সবার মুখেই হতাশা স্পষ্ট। এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এগিয়ে এসে পিঠ চাপড়ে দিলেন তাঁদের। তিনি বললেন, সাহস হারালে চলবে না। তাঁরা ইতিমধ্যেই যা অর্জন করেছেন, তাতে দেশবাসী তাঁদের নিয়ে গর্বিত। আর এখনও আশা রয়েছে। সাফ জানালেন তিনি সবসময় তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন।

এরপর তিনি এসে দেখা করলেন কুইজ প্রতিযোগিতা জিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে চন্দ্রাবতরণ দেখার সুযোগ পাওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে। শুরুতে গোটা কেন্দ্রে সবচেয়ে বেশি উৎসাহ ছিল এই ছাত্র-ছাত্রীদেরই। কিন্তু আচমকা ধাক্কায় সেই সময় তারা কিছুটা হতবম্ভ। প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়েই ম্যাজিকের মতো মেজাজ পাল্টে গেল কচি-কাচাদের।

এক ছাত্র প্রশ্ন করল নিজেকে উজ্জীবিত কিভাবে করা যাবে? প্রধানমন্ত্রী জানালেন, ব্যর্থতা ভুলে এগিয়ে যাওয়ার কথা। তাদের অটোগ্রাফও দিলেন হাসিমুখে।

তারপর সেখান থেকে বেরিয়েও ইসরোর বিজ্ঞানীদের উজ্জীবিত করে টুইট করলেন প্রধানমন্ত্রী।