জন্মদিনে আবারও অন্যভাবে পাওয়া গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। এবার তিনি ফোটোগ্রাফারের ভূমিকায়। শনিবার নাম্বিয়া থেকে আসা ৮টি চিতা ছাড়া হয় মধ্য প্রদেশের কুনুর জাতীয় উদ্যানে।  সেই চিতাগুলির বেশ কয়েকটি ছবি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তোলেন।  

জন্মদিনে আবারও অন্যভাবে পাওয়া গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। এবার তিনি ফোটোগ্রাফারের ভূমিকায়। শনিবার নাম্বিয়া থেকে আসা ৮টি চিতা ছাড়া হয় মধ্য প্রদেশের কুনুর জাতীয় উদ্যানে। সেই চিতাগুলির বেশ কয়েকটি ছবি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তোলেন। এটাই প্রথম নয় , আর আগেও একাধিকবার প্রধানমন্ত্রীকে ক্যামেরা হাতে দেখা গেছে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

দেখুন প্রধানমন্ত্রীর তোলা ছবিগুলিঃ

এদিন প্রধানমন্ত্রীর পুরোপুরি জঙ্গল সাফারির মুডে ছিলেন। হ্যাট আর স্পোর্টশু পরেই পৌঁছে গিয়েছিলেন জঙ্গতে। গলায় ঝুলছিল একটি লম্বা লেন্সওয়ালা ক্যামেরা। হালকা আসমানি রঙের হাফ হাতা কুর্তার ওপর ছিল সাফারি জ্যাকেট। কখনও হাতে কখনও আবার গলায় ঝোলান ছিল ক্যামেরা। জঙ্গল সাফারির পুরো মেজাজটাই ছিল তাঁর জন্মদিনে। এদিন বেশ কয়েকটি চিতার ছবিও তোলেন তিনি। এর আগে সর্দার প্যাটেলের মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে প্রকৃতিকে ক্যামেরা বন্দি করতে দেখা গিয়েছিল। একটা সময় খাঁচায় আটকানো বাঘের ছবিও তুলেছিলেন তিনি। এবার জঙ্গলে ছাড়া চিতা ক্যামেরা বন্দি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।


জন্মদিনের দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আফ্রিকার নামিবিয়া থেকে আনালেন ৮ টি চিতা। মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে তাদের রাখার বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য প্রধানমন্ত্রীর পরাক্রম দেখে তার অনেক অনুরাগীই তাকে চিতা বাঘের সাথে তুলনা করে থাকেন। বেশ কয়েকজনকে এও বলতেও শোনা গেছে যে চিতা বাঘের অনেক বৈশিষ্টই নাকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বিদ্যমান। তার ধৈয্য, শৌয্য , বিচারবুদ্ধি , তীক্ষ্ণতা , দ্রুততা , পরাক্রম সবই চিতাবাঘের গুন গুলির সঙ্গে এক্কেবারে মিলে যায়।আসুন জেনে নি চিতাবাঘের কোন গুনগুলি মানুষকে খুব প্রভাবিত করে। 

চিতাবাঘ ৩ সেকেন্ডের মধ্যে ১০০ মিটার অতিক্রম করতে পারে। তাই পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুততম প্রাণীর তকমা পেয়েছে চিতাবাঘ। চিতাবাঘের এই দ্রুততাই তার চরিত্রের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট। কিন্তু এরা নিজেদের এই দ্রুততাকে ৩০ সেকেন্ডের বেশি ধরে রাখতে পারে না। দিল্লির একজন ওয়াইল্ড লাইফ সাংবাদিক কবির সুজয় জানিয়েছেন , চিতা যখন তার দ্রুততম স্পীডে পৌঁছয় তখন সে চায় ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই তার সব কাজ করে ফেলতে। সেটা কাউকে আক্রমণ করা ফেলা হোক বা শিকার করা। যদি ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে তার উদ্দিষ্ট লক্ষ্য সফল না হয় তাহলে সে হাল ছেড়ে দেয়। তবে চিতা তার টার্গেট মিস করেছে এরকম সচরাচর খুব একটা দেখতে পাওয়া যায় না।