৭ বছরের এক নাবালিকাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল দুই নাবালকের বিরুদ্ধে। বুধবার  এই ভয়ঙ্কর ঘটনার সাক্ষী থাকল ছত্তিশগড় জেলার গৌরেলা পেন্দ্র মারওয়াহী জেলার বাসিন্দারা। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে করোনাভাইরাস সারিয়ে দেওয়ার নাম করেই দুই নাবালক তুলে নিয়ে যায় সাত বছরের বালিকাকে। তারপরই কিশোরীর ওপর শুরু করে যৌন নির্যাতন।  


স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছ,  ৭ বছরের কিশোরী জঙ্গলে গিয়েছিল কাঠ কুড়াতে। সেই সয়মই দুই নাবালক তার পিছু নেয়। কিশোরা জঙ্গলে ঢুকে গেলে তারাও জঙ্গলে যায়। সেখানেই কিশোরীকে বলে  সে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত।  আর এক কথা শুনে কিশোরী রীতিমত ভয় পেয়ে যায়। দুই নাবালকই তখন কিশোরীর করোনাভাইরাস সারিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। একই সঙ্গে চিকিৎসাকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ারও প্রস্তাব দেওয়া হয়। 

নির্যাতিতা কিশোরীর অভিযোগ তাদের প্রস্তাবে রাজি হওয়ার পরই এক অভিযুক্ত নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিল। বাড়িটি খালি ছিল। কিশোরী তখন বাড়ি ফেরার কথা বললে তাকে আটকে দেয়। তারপর সেখানেই দুই অভিযুক্ত তাকে লাগাতার ধর্ষণ করে। দীর্ঘ সময় পর কিশোরী বাড়ি ফিরতে পারে। অভিভাবকদের সব কথা জানায়। তারপরই ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়। 

'কেউ তো মিথ্যা বলছে', প্রধানমন্ত্রীর লাদাখ সফরের মাধেই ভিডিও পোস্ট করে নিশানা রাহুলের ...

কিম বলছেন করোনা মোকাবিলায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে উত্তর কোরিয়া, জেনে নিন আসল ছবি কেমন ...

পুলিশ জানিয়েছে বর্তমানে নির্যাতিতার চিকিৎসা চলছে। দুই অভিযুক্তকে বৃহস্পতিবারই গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় পেলানকোডে অপহরণ ও গণধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শিশু নির্যাতনের অভিযোগে পকসো আইনও আনা হয়েছে দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলির কথায় ছত্তিশগড়ে নারী নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। তবে বর্তমানে নির্যাতিতা মহিলারা থানায় গিয়ে অভিযোগ জানাতে পিছপা হন না।