প্যাংগং নিয়ে উদ্বেগ বাড়ল ভারতেরফের এই অঞ্চলে সামরিক শক্তি বাড়ালো চিনযদিও দুইপক্ষে সেনা প্রত্যাহারের কথা চলছেতারমধ্যেই বিস্ময়কর পদক্ষেপ বেজিং-এর

ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনার তলে তলেই লাদাখে শক্তি বাড়াচ্ছে চিনা পিপলস লিবারেশন আর্মি। জানা গিয়েছে সম্প্রতি প্যাংগং হ্রদে বেজিং ৬ টি টাইপ-৯২৮ ডি অ্যাসল্ট নৌকা নিয়ে এসেছে। স্বাভাবিকভাবেই, চিনের এই পদক্ষেপ পূর্ব লাদাখ অঞ্চলে ভারতীয় সেনার উদ্বেগের আরও বাড়িয়েছে। তবে, চিনের এই পদক্ষেপ প্যাংগং হ্রদে ভারতের মার্কোস বাহিনী নিয়োগের জবাব বলে মনে করা হচ্ছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

টাইপ-৯২৮ ডি অ্যাসল্ট নৌকা তৈরি করা হয় চিনের চ্যাংঝো এফআরডি শিপইয়ার্ডে। প্রতিটি নৌকা অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদ-সহ দশজন করে সেনা সদস্যদের বহন করতে পারে। নৌকাগুলি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি মজুত করা হলেও শীতের মাসে সেগুলি চিনা বাহিনী কতটা কাজে লাগাতে পারবে, তাই নিয়ে সংশয় রয়েছে। এই সময় হ্রদের বেশ কিছুটা অংশের জল জমে বরফ হয়ে থাকে। তাই কেন এই সময় এগুলিকে মোতায়েন করা হল, তাই নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

চিনের টাইপ-৯২৮ ডি অ্যাসল্ট নৌকা

চিন সেনার হাতে অবশ্য এক থেকে আরও বড় ও সুসজ্জিত সুইডেনের তৈরি সিবি-৯০ অ্যাসল্ট নৌকা রয়েছে। তিন ক্রু সদস্যসহ ২০ জন সৈন্য ও অস্ত্রশস্ত্র বহন করতে পরে সেই নৌকাগুলি। সব মিলিয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ভারত, ৫০ থেকে ৬০,০০০ চিন সেনা সদস্য, ৩০০ থেকে ৪০০টি ট্যাঙ্ক, সাঁজোয়াগাড়ি এবং বিমান প্রতিরক্ষা অস্ত্রের মুখোমুখি।

তবে গত মাসের শেষের দিকেই প্যাংগং হ্রদে ভারত মোতায়েন করেছে নৌসেনা-র বিশেষ বাহিনী মার্কোস বা মেরিন কমান্ডোস-কে। শীঘ্রই তারা হাতে পাবে তাদের প্রয়োজনীয় নৌকা ও অন্যান্য সাজ সরঞ্জাম। আগে থেকেই ওই এলাকায় নিযুক্ত ছিল সেনা ও বায়ুসেনার বিশেষ বাহিনী'প্যারা স্পেশাল ফোর্স', 'স্পেশাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স' এবং 'গরুড় স্পেশাল ফোর্স'। গড়ূরের কাছেও রয়েছে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা 'ইগলা'। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাঁধে রেখেই চালানো যায়। সব মিলিয়ে এই সুউচ্চ হ্রদে শীাতের আগেই দুই দেশই নৌশক্তি বাড়ালো।